১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

শিগগিরই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ: আইনমন্ত্রী

প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি বলতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, খুব শিগগিরই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার সকালে এ কথা বলেন তিনি।

তবে শোনা যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

গত বছরের ২ অক্টোবর একমাস ছুটির কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর চিঠি পাঠান পদত্যাগী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তখন রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের জন্য আপিল বিভাগের প্রবীণতম বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞাকে দায়িত্ব দেন।

পরে বিচারপতি সিনহা ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে থাকার ইচ্ছা পোষণ করে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন।

এর ধারাবাহিকতায় গত ১২ অক্টোবর প্রজ্ঞাপনও জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। পরের দিন ১৩ অক্টোবর রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন বিচারপতি সিনহা। সেখানে তিনি বড় মেয়ে সূচনা সিনহার বাসায় ওঠেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান।

১০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে অবিস্থত বাংলাদেশ হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। পরের দিন ওই পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ে পৌঁছে। ১৪ নভেম্বর ওই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পদত্যাগ না করলে বিচারপতি সিনহার শেষ কর্মদিবস হতো ৩১ জানুয়ারি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে আজ তারেক রহমানের জনসভা

শিগগিরই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি বলতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, খুব শিগগিরই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার সকালে এ কথা বলেন তিনি।

তবে শোনা যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

গত বছরের ২ অক্টোবর একমাস ছুটির কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর চিঠি পাঠান পদত্যাগী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তখন রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের জন্য আপিল বিভাগের প্রবীণতম বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞাকে দায়িত্ব দেন।

পরে বিচারপতি সিনহা ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে থাকার ইচ্ছা পোষণ করে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন।

এর ধারাবাহিকতায় গত ১২ অক্টোবর প্রজ্ঞাপনও জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। পরের দিন ১৩ অক্টোবর রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন বিচারপতি সিনহা। সেখানে তিনি বড় মেয়ে সূচনা সিনহার বাসায় ওঠেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান।

১০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে অবিস্থত বাংলাদেশ হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। পরের দিন ওই পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ে পৌঁছে। ১৪ নভেম্বর ওই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পদত্যাগ না করলে বিচারপতি সিনহার শেষ কর্মদিবস হতো ৩১ জানুয়ারি।