১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চালু

ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রাত ২টা থেকে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এতে উভয় ঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় থাকা ছোট-বড় ৬ শতাধিক যানবাহনের যাত্রী ও শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।   

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রোববার (২৪ জানুয়ারি) রাত ৯টার পর থেকে ফেরি চলাচলে ব্যাহত হচ্ছিল। রাত যত গভীর হচ্ছিল কুয়াশার মাত্রা ততই বাড়তে থাকে। রাত ১১টার দিকে কুয়াশার মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটের চ্যালেনের  বিকল বাতি ও মার্কিং পয়েন্টের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এ সময় দুর্ঘটনা এড়াতে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

তবে রাত ১২টার দিকে কুয়াশার মাত্রা একটু কমে আসলে আবার ফেরি চলাচলের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। দুই ঘণ্টা ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকার পর আবার রাত ২টার দিতে তীব্র কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ছোট-বড় ৪৬টি যানবাহন নিয়ে মাঝ পদ্মায় আটকে ছিল ছোট-বড় ৪টি ফেরি।

আবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কুয়াশার মাত্রা কমে আসলে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়। তবে এখনও পারের অপেক্ষায় রয়েছে ছোট-বড় ৬ শতাধিক যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রী ও শ্রমিকরা। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।

ট্যাগ :

পাবনায় ৩ আসনে হার: হাবিবকে দায়ী করে জেলা বিএনপি কমিটি বিলুপ্তির দাবি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চালু

প্রকাশিত : ০৯:১৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১

ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রাত ২টা থেকে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এতে উভয় ঘাট এলাকায় পারের অপেক্ষায় থাকা ছোট-বড় ৬ শতাধিক যানবাহনের যাত্রী ও শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।   

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রোববার (২৪ জানুয়ারি) রাত ৯টার পর থেকে ফেরি চলাচলে ব্যাহত হচ্ছিল। রাত যত গভীর হচ্ছিল কুয়াশার মাত্রা ততই বাড়তে থাকে। রাত ১১টার দিকে কুয়াশার মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটের চ্যালেনের  বিকল বাতি ও মার্কিং পয়েন্টের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এ সময় দুর্ঘটনা এড়াতে এ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

তবে রাত ১২টার দিকে কুয়াশার মাত্রা একটু কমে আসলে আবার ফেরি চলাচলের ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। দুই ঘণ্টা ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকার পর আবার রাত ২টার দিতে তীব্র কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ছোট-বড় ৪৬টি যানবাহন নিয়ে মাঝ পদ্মায় আটকে ছিল ছোট-বড় ৪টি ফেরি।

আবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কুয়াশার মাত্রা কমে আসলে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়। তবে এখনও পারের অপেক্ষায় রয়েছে ছোট-বড় ৬ শতাধিক যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রী ও শ্রমিকরা। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।