১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ভাষানচরে উপহার পাঠিয়েছেন সিঙ্গাপুরের ফার্স্ট জেন্টেলম্যান

ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের জন্য উপহার সামগ্রি পাঠিয়েছেন সিঙ্গাপুরের ফার্স্ট জেন্টেলম্যান মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল হাবশি। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল কালামের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এ বিষয়টি জানান হাবশি। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেওয়ার পর সিঙ্গাপুর তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। তৃতীয় দফায় ভাসানচরে আরও ৩ হাজার রোহিঙ্গা গেছে। সব মিলে ১ লাখ সেখানে নেওয়া হবে। রোহিঙ্গাদের মঙ্গলের জন্য তাদের ভাসানচরে নেওয়া হবে। আর তাদের জন্য এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে সিঙ্গাপুরও।

তবে উপহারের মধ্যে কী পণ্য আছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায় নি।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সিলেট মহানগরীর দরগা গেইট এলাকায় হোটেল স্টার প্যাসিফিকে ‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রা’ শিরোনামে সিলেটের উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেটের সকল নদীর পাড় অন্যান্য দেশের মতো দৃষ্টিনন্দন হবে। এ বিষয়ে সিলেটের শহরবাসী সাহায্য করছে। এজন্য শহরবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, রিংরোড হলে এ শহরের যানজট কমে যাবে।

ড. মোমেন আরও জানান, সিলেটে দৃষ্টিনন্দন স্বাধীনতা টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার আছে বলে সারাদেশে অভাবনীয় সাফল্য দেখছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল স্পেন

ভাষানচরে উপহার পাঠিয়েছেন সিঙ্গাপুরের ফার্স্ট জেন্টেলম্যান

প্রকাশিত : ১০:৫৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১

ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের জন্য উপহার সামগ্রি পাঠিয়েছেন সিঙ্গাপুরের ফার্স্ট জেন্টেলম্যান মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল হাবশি। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল কালামের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এ বিষয়টি জানান হাবশি। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেওয়ার পর সিঙ্গাপুর তাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। তৃতীয় দফায় ভাসানচরে আরও ৩ হাজার রোহিঙ্গা গেছে। সব মিলে ১ লাখ সেখানে নেওয়া হবে। রোহিঙ্গাদের মঙ্গলের জন্য তাদের ভাসানচরে নেওয়া হবে। আর তাদের জন্য এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে সিঙ্গাপুরও।

তবে উপহারের মধ্যে কী পণ্য আছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায় নি।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সিলেট মহানগরীর দরগা গেইট এলাকায় হোটেল স্টার প্যাসিফিকে ‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রা’ শিরোনামে সিলেটের উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেটের সকল নদীর পাড় অন্যান্য দেশের মতো দৃষ্টিনন্দন হবে। এ বিষয়ে সিলেটের শহরবাসী সাহায্য করছে। এজন্য শহরবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, রিংরোড হলে এ শহরের যানজট কমে যাবে।

ড. মোমেন আরও জানান, সিলেটে দৃষ্টিনন্দন স্বাধীনতা টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার আছে বলে সারাদেশে অভাবনীয় সাফল্য দেখছি।