০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

করোনা ঠেকাতে ফ্রান্সে আবারো লকডাউন

করোনা মহামারি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়াতে ফ্রান্সে আবারো যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন ধরণের করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং দেশকে আবারো লকডাউনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী জিন ক্যাসটেক্স। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী রোববার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে সকল দেশ থেকে ফ্রান্সে আসা সব ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের করোনার নমুনা পরীক্ষার আরও জোর দেওয়া হবে।

ফ্রান্সে এখন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কারফিউ বহাল আছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে পুলিশ তাদের সন্ধ্যার কারফিউ জোরদার করবে এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ প্রয়োগ কার্যকর করবে।

দেশটির পরিবহন মন্ত্রী এক টুইট বার্তায় জানান, নতুন বিধিনিষেধ যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে যুক্তরাজ্য থেকে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলবে না।

এদিকে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গণপরিবহন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন ফ্রান্সের চিকিৎসকরা। ফ্রেঞ্চ একাডেমি অব ডক্টরস এই ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সাবওয়ে, বাস বা অন্যান্য গণপরিবহন যেখানে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব হয় না, সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। গত মে মাস থেকে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হলেও ভ্রমণকারীরা প্রায়শই ফোনে কথা বলার সময় মাস্ক আলগা করে বা সরিয়ে ফেলেন। তাই কথা না বলার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফ্রান্সে করোনার নতুন ধরণের প্রকোপ মারাত্মক পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার যুক্তরাজ্যের ধরণ ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কারণে, লকডাউন দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না বলে মত প্রশাসনের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

করোনা ঠেকাতে ফ্রান্সে আবারো লকডাউন

প্রকাশিত : ০৯:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১

করোনা মহামারি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়াতে ফ্রান্সে আবারো যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন ধরণের করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং দেশকে আবারো লকডাউনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী জিন ক্যাসটেক্স। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী রোববার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে সকল দেশ থেকে ফ্রান্সে আসা সব ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের করোনার নমুনা পরীক্ষার আরও জোর দেওয়া হবে।

ফ্রান্সে এখন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কারফিউ বহাল আছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে পুলিশ তাদের সন্ধ্যার কারফিউ জোরদার করবে এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ প্রয়োগ কার্যকর করবে।

দেশটির পরিবহন মন্ত্রী এক টুইট বার্তায় জানান, নতুন বিধিনিষেধ যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে যুক্তরাজ্য থেকে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলবে না।

এদিকে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গণপরিবহন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন ফ্রান্সের চিকিৎসকরা। ফ্রেঞ্চ একাডেমি অব ডক্টরস এই ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সাবওয়ে, বাস বা অন্যান্য গণপরিবহন যেখানে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব হয় না, সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। গত মে মাস থেকে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হলেও ভ্রমণকারীরা প্রায়শই ফোনে কথা বলার সময় মাস্ক আলগা করে বা সরিয়ে ফেলেন। তাই কথা না বলার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফ্রান্সে করোনার নতুন ধরণের প্রকোপ মারাত্মক পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার যুক্তরাজ্যের ধরণ ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব কারণে, লকডাউন দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না বলে মত প্রশাসনের।