০৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাটে অসহায় পরিবারের জমি বে-দখলে বসবাস অন্য’র জমিতে

লালমনিরহাটের এক অসহায় ভুমিহীন পরিবার ওয়ারিশের সাড়ে ২৮ শতক জমি বে-দখলে। ফলে অসহায় ভুমিহীনরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করেছেন অন্যর জমিতে। এ ঘটনায় অসহায় ভুমিহীন পরিবারটি মামলা-মোকদ্দমা করেও কোন সুফল না পাওয়ায় বর্তমান সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নিজপাড়া-তেলীপাড়া গ্রামের মৃত ফজলে রহমানের পুত্র আমজাদ হোসেন গং এর ওয়ারিশ সুত্রে সাড়ে ২৮ শতক জমি রয়েছে। যা দীঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল গায়ের জোড়ে বেদখলে নিয়ে ভোগ দখল করছেন।
আমজাদ হোসেন বলেন, ১৯৭০ সালে আমার বাবা ফজলে রহমান পারিবারিক সমস্যার কারণে সাড়ে ২৮ শতক জমি একই এলাকার স্থানীয় কোরবান আলী সরকারের পুত্র তছলিম উদ্দিন সরকারের নিকট ৪শত টাকায় বন্দোক অর্থাৎ তৎকালীন বন্দোকেই (সাব-কবলা) রাখেন।
যার দলিল নং-৮৯৫৯/৭০, যার মেয়াদ ছিল ৯ বছর অর্থাৎ ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত। ওই সময় দলিলে শর্তছিল যে, উক্ত ৯ বছরের মধ্যে বন্দোক বা (সাব-কবলার) ৪শত টাকা ফজলে রহমান বা তার কোন ওয়ারিশ তছলিমকে ফিরত দিলে তারা ওই সাড়ে ২৮ শতক জমি ফিরত পাবেন।
এরমাঝে দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের আমলে তৎকালীন বন্দোক (সাব-কবলা) বাতিল ঘোষণা করেন। সেক্ষেত্রে আমার বাবা ফজলে রহমানেই ওই জমির অংশীদার থাকেন। কিন্তু ১৯৭০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ওই সাড়ে ২৮ শতক জমি বেদখলদ্বারের নিকট থেকে আমরা দখলে নিতে পারি নাই। তাই জমি উদ্ধারের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ সদর আদালত, লালমনিরহাট-এ মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং- অন্য-১১৮/২০। যার তফশীল সি.এস.খং.নং-১৪০, এস.এ.খং.নং-১৪৫, বি.আর.এস.খং.নং-১২০ ও ১৬২, দাগ নং-১০১, জমি-.৫৭ একরের মধ্যে সাড়ে ২৮ শতক। আমজাদ হোসেন আরও বলেন, আমরা অসহায় ভুমিহীন। আমাদের পরিবারের ওয়ারিশের সাড়ে ২৮ শতক জমি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বেদখলে। তাই আমরা অসহায় ভুমিহীনরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছি অন্যর জমিতে। আমরা এ ঘটনায় আদালতে মামলা-মোকদ্দমা করেও কোন সুফল না পাওয়ায় বর্তমান সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

লালমনিরহাটে অসহায় পরিবারের জমি বে-দখলে বসবাস অন্য’র জমিতে

প্রকাশিত : ০৬:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১

লালমনিরহাটের এক অসহায় ভুমিহীন পরিবার ওয়ারিশের সাড়ে ২৮ শতক জমি বে-দখলে। ফলে অসহায় ভুমিহীনরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করেছেন অন্যর জমিতে। এ ঘটনায় অসহায় ভুমিহীন পরিবারটি মামলা-মোকদ্দমা করেও কোন সুফল না পাওয়ায় বর্তমান সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা গেছে, সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নিজপাড়া-তেলীপাড়া গ্রামের মৃত ফজলে রহমানের পুত্র আমজাদ হোসেন গং এর ওয়ারিশ সুত্রে সাড়ে ২৮ শতক জমি রয়েছে। যা দীঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল গায়ের জোড়ে বেদখলে নিয়ে ভোগ দখল করছেন।
আমজাদ হোসেন বলেন, ১৯৭০ সালে আমার বাবা ফজলে রহমান পারিবারিক সমস্যার কারণে সাড়ে ২৮ শতক জমি একই এলাকার স্থানীয় কোরবান আলী সরকারের পুত্র তছলিম উদ্দিন সরকারের নিকট ৪শত টাকায় বন্দোক অর্থাৎ তৎকালীন বন্দোকেই (সাব-কবলা) রাখেন।
যার দলিল নং-৮৯৫৯/৭০, যার মেয়াদ ছিল ৯ বছর অর্থাৎ ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত। ওই সময় দলিলে শর্তছিল যে, উক্ত ৯ বছরের মধ্যে বন্দোক বা (সাব-কবলার) ৪শত টাকা ফজলে রহমান বা তার কোন ওয়ারিশ তছলিমকে ফিরত দিলে তারা ওই সাড়ে ২৮ শতক জমি ফিরত পাবেন।
এরমাঝে দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের আমলে তৎকালীন বন্দোক (সাব-কবলা) বাতিল ঘোষণা করেন। সেক্ষেত্রে আমার বাবা ফজলে রহমানেই ওই জমির অংশীদার থাকেন। কিন্তু ১৯৭০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ওই সাড়ে ২৮ শতক জমি বেদখলদ্বারের নিকট থেকে আমরা দখলে নিতে পারি নাই। তাই জমি উদ্ধারের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ সদর আদালত, লালমনিরহাট-এ মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং- অন্য-১১৮/২০। যার তফশীল সি.এস.খং.নং-১৪০, এস.এ.খং.নং-১৪৫, বি.আর.এস.খং.নং-১২০ ও ১৬২, দাগ নং-১০১, জমি-.৫৭ একরের মধ্যে সাড়ে ২৮ শতক। আমজাদ হোসেন আরও বলেন, আমরা অসহায় ভুমিহীন। আমাদের পরিবারের ওয়ারিশের সাড়ে ২৮ শতক জমি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বেদখলে। তাই আমরা অসহায় ভুমিহীনরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছি অন্যর জমিতে। আমরা এ ঘটনায় আদালতে মামলা-মোকদ্দমা করেও কোন সুফল না পাওয়ায় বর্তমান সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ