০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শমী কায়সারের মোবাইল চুরি, মানহানির অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

শমী কায়সার

২০১৯ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবে মোবাইল চুরির ঘটনায় সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেয়া ও তল্লাশির অভিযোগে অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানহানি মামলায় অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার আদালতে ওই মামলার প্রতিবেদন জমা দেন সংস্থাটির পরিদর্শক মো. লুৎফুর রহমান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে শমী কায়সারের দ্বারা বাদীকে বা উপস্থিত কোনো সাংবাদিক বা উপস্থিত অন্য কোনো ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে চোর বলে মন্তব্য করা, আটকে রাখা, তল্লাশি করা, আটকে রেখে তল্লাশি করার নির্দেশ দেয়ার বিষয়ে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও বলা হয়েছে, এ ছাড়া বাদী নিজেও এরূপ কোনো প্রকার সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। এ-সংক্রান্ত কোনোরূপ স্থিরচিত্র বা ভিডিও ফুটেজ উপস্থাপন করতেও বাদী ব্যর্থ হয়েছেন। বাদীর অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাটি অনুষ্ঠানের আয়োজক কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা রক্ষীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বাড়াবাড়ির কারণে ভুল বুঝাবুঝির ঘটনা ছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানে নেয়া সাক্ষ্যপ্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর এই মামলায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘সত্যতা পায়নি’ মর্মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব রহমান। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেছিলেন মামলার বাদী নুজহাতুল হাসান।
সেই নারাজি আবেদনের ওপর শুনানি শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগটির অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

শমী কায়সারের মোবাইল চুরি, মানহানির অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

প্রকাশিত : ০৪:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

২০১৯ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবে মোবাইল চুরির ঘটনায় সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেয়া ও তল্লাশির অভিযোগে অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানহানি মামলায় অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার আদালতে ওই মামলার প্রতিবেদন জমা দেন সংস্থাটির পরিদর্শক মো. লুৎফুর রহমান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে শমী কায়সারের দ্বারা বাদীকে বা উপস্থিত কোনো সাংবাদিক বা উপস্থিত অন্য কোনো ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে চোর বলে মন্তব্য করা, আটকে রাখা, তল্লাশি করা, আটকে রেখে তল্লাশি করার নির্দেশ দেয়ার বিষয়ে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও বলা হয়েছে, এ ছাড়া বাদী নিজেও এরূপ কোনো প্রকার সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। এ-সংক্রান্ত কোনোরূপ স্থিরচিত্র বা ভিডিও ফুটেজ উপস্থাপন করতেও বাদী ব্যর্থ হয়েছেন। বাদীর অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাটি অনুষ্ঠানের আয়োজক কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা রক্ষীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বাড়াবাড়ির কারণে ভুল বুঝাবুঝির ঘটনা ছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানে নেয়া সাক্ষ্যপ্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর এই মামলায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘সত্যতা পায়নি’ মর্মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুব রহমান। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেছিলেন মামলার বাদী নুজহাতুল হাসান।
সেই নারাজি আবেদনের ওপর শুনানি শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগটির অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ