১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

যবিপ্রবির জিমনেশিয়াম হস্তান্তরের আগেই ফাটল

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম “শেখ রাসেল” জিমনেশিয়াম। গত ১৪ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি উদ্বোধন করেন জিমনেশিয়ামটি । কিন্তু উদ্বোধনের পর জিমনেশিয়াটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই মেঝে সহ দেওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল, আছে ডিজাইনগত একাধিক ত্রুটি । জিমনেশিয়ামের টয়লেটের কোমট, ফ্লাস, দরজাগুলাতে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী ।

বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য মতে, মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের পর এটিই দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ জিমনেশিয়াম। ২২ হাজার ২৮০ বগফুটের আন্তর্জাতিক মানের এই জিমনেশিয়ামটি তৈরির কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে এবং কাজ শেষ করে হস্তান্তরের সময় ছিল ২০২০ সালের জুন মাস। কিন্তু জিমনেশিয়ামটির ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠান মেসাস কপোতাক্ষ এন্টারপ্রাইজ ও মেসাস শামিম চাকলাদার এন্টারপ্রাইজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় হস্তান্তরের সময় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বাড়ানো হয় ।

অতিরিক্ত সময়ের অতিবাহিত হওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই জিমনেশিয়াটির ইনডোর মাঠের মেঝেতে সর্বত্রই দেখা মিলছে বিশাল আকারে একাধিক ফাটলের চিহ্ন । এছাড়াও দেওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল, অভিযোগ রয়েছে নিম্ন মানের জিনিসপত্র ব্যবহারের। পাশাপাশি ডিজাইনেও আছে ত্রুটি, জিমনেশিয়ামটির টয়লেটের প্রশাব করার অভিমুখ করা হয়েছে ঠিক পশ্চিম দিক বরাবর । এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বোধনের সময়ই কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয় অভিযোগ । এই রকম নানাবিধ সমস্যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিমনেশিয়াটি কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে গ্রহন করেনি।

পরবর্তীতে এইসব সমস্যার সমাধানের জন্য কুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল নিয়ে আসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । তারা সব কিছু পর্যবেক্ষণ করে ৯ টি কাজ শেষ করে হস্তান্তর গ্রহন করার পরামর্শ দেন । কাজ গুলো হল ; মেঝের ক্র্যাক মেরামত (ইনডোর খেলার জায়গায়),সমস্ত মেঝে এবং সিঁড়ি পরষ্কিার করা ,টয়লটের ব্লক মেরামত ,দরজার শাটার পলিশিং ,জানালার সিল মেরামত, র্শীষ তলার অতিরিক্ত পুর্নবন্যিাস কাটা ,র্শীষ ফ্লোরের সিঁড়ি ও অন্য কয়েকটি জায়গার কিছু টাইলস পরির্বতন, ক্যাট দরজা ইত্যাদি ।

এই বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটির প্রোজেক্ট সাইট ইঞ্জিনিয়ার জহির বলেন , আমাদের সকল কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ ইমাম ও ইঞ্জিনিয়ার শফিউল আলমের তদারকি ও নির্দেশনায় হয়েছে । মেঝে ও দেওয়ালের ফাটলের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না তারাই এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে । তিনি আরও বলেন, টয়লেটের বিষয়টি আমাদের বলা হয়েছে কিন্তু আমাদের এই ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখের আগেই জিমনেশিয়াটি হস্তান্তর করতে হবে । এই সময়ের মধ্যে আমি এটা ঠিক করে দিতে পারব না , আমাকে আলাদা করে সময় দিতে হবে । কুয়েট থেকে যেসব ইঞ্জিনিয়াররা এসেছিলেন তারা আমাদের যেসব কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে আমরা এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করছি।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়য়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ ইমাম বলেন , এখনো জিমনেশিয়াটি হস্তান্তর করা হয়নি বিল্ডিংটি আন্ডার কনস্ট্রাকশনে আছে। মেঝেতে যে ফাটল দেখা দিয়েছে ওটা প্যাটেনস্টোন এটা ফিনিশিং দেওয়া যায় না, লেবেলটা সমান করার জন্য করা হয়। ফাটল দেখা দেওয়ার পরে আমরা কুয়েট থেকে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল এনেছিলাম। তারা বলেছেন কনস্ট্রাকশনের জয়েন্টের কারণে ফাটল দেখা দিয়েছে। এটাকে মেরামত করার জন্য তারা পরামর্শ দিয়েছেন সে অনুযায়ী ঠিকাদাররা কাজ করছেন। প্লাস্টারের যে ফাটল দেখা দিয়েছে সেটা স্ট্রাকচারের না এগুলো মেরামত করার জন্য তাদের বলা হয়েছে । এছাড়াও উপরে গালারিতে যে রেলিংটা করা হয়েছে সেটাকে শক্তিশালী করার জন্য আলাদা সাপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। টয়লেটর সমস্যাকে তিনি ডিজাইনিং সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন , এই সমস্যা দেখার পর আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করেছি।

উদ্বোধনের পরপরই সৃষ্ট সমস্যাগুলোর কারণে পরবর্তীতে কতটুকু ভোগান্তির স্বীকার হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন – যে ফাটলগুলো দেখা দিয়েছে এগুলো মূলত প্লাস্টারের ফাটল স্ট্রাকচারের ফাটল নয়, এমন ফাটল যে কোন বিল্ডিংয়ে আসতে পারে এবং তিনি এই ত্রুটিগুলোর কারণ হিসেবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কে দায়ী করেছেন। তিনি আরও বলেন , এই ত্রুটি গুলোর কারণে ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠানটির প্রায় দেড় কোটি টাকা আটকে রাখা হয়েছে । এই বিল্ডিং এখনো বুঝে নেওয়া হয়নি তাই সমাধানের পরেই এই টাকা দেওয়া হবে । এছাড়াও জিমনেশিয়ামের টয়লেটের কোমট, ফ্লাস, দরজাগুলাতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা বলেছে এগুলো পরিবর্তন করে দিবে। এজন্য তাদের বিল আমরা আটকে রেখেছি। যখন এগুলো লাগানো হয়েছে তখন তদারকি কমিটি ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী দায়িত্বে ছিলেন। আগে তার সাথে আলোচনা করে কাজগুলো করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি ঠিকাদার প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার জহিরের অভিযোগকে তিনি নাকচ করে বলেন , এই ভুল ত্রুটির দায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের। ঢালায়ের সময় জহির এখানে ছিলেন না ঠিকাদার প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন মিলন এবং এখানে শুধু আমরাই দেখাশোনা করি না তদারকি কমিটি সবার পরামর্শে কাজ হয়ে থাকে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

যবিপ্রবির জিমনেশিয়াম হস্তান্তরের আগেই ফাটল

প্রকাশিত : ০৫:০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম “শেখ রাসেল” জিমনেশিয়াম। গত ১৪ নভেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি উদ্বোধন করেন জিমনেশিয়ামটি । কিন্তু উদ্বোধনের পর জিমনেশিয়াটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই মেঝে সহ দেওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল, আছে ডিজাইনগত একাধিক ত্রুটি । জিমনেশিয়ামের টয়লেটের কোমট, ফ্লাস, দরজাগুলাতে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী ।

বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য মতে, মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের পর এটিই দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ জিমনেশিয়াম। ২২ হাজার ২৮০ বগফুটের আন্তর্জাতিক মানের এই জিমনেশিয়ামটি তৈরির কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে এবং কাজ শেষ করে হস্তান্তরের সময় ছিল ২০২০ সালের জুন মাস। কিন্তু জিমনেশিয়ামটির ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠান মেসাস কপোতাক্ষ এন্টারপ্রাইজ ও মেসাস শামিম চাকলাদার এন্টারপ্রাইজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় হস্তান্তরের সময় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বাড়ানো হয় ।

অতিরিক্ত সময়ের অতিবাহিত হওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই জিমনেশিয়াটির ইনডোর মাঠের মেঝেতে সর্বত্রই দেখা মিলছে বিশাল আকারে একাধিক ফাটলের চিহ্ন । এছাড়াও দেওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল, অভিযোগ রয়েছে নিম্ন মানের জিনিসপত্র ব্যবহারের। পাশাপাশি ডিজাইনেও আছে ত্রুটি, জিমনেশিয়ামটির টয়লেটের প্রশাব করার অভিমুখ করা হয়েছে ঠিক পশ্চিম দিক বরাবর । এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বোধনের সময়ই কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয় অভিযোগ । এই রকম নানাবিধ সমস্যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিমনেশিয়াটি কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে গ্রহন করেনি।

পরবর্তীতে এইসব সমস্যার সমাধানের জন্য কুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল নিয়ে আসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । তারা সব কিছু পর্যবেক্ষণ করে ৯ টি কাজ শেষ করে হস্তান্তর গ্রহন করার পরামর্শ দেন । কাজ গুলো হল ; মেঝের ক্র্যাক মেরামত (ইনডোর খেলার জায়গায়),সমস্ত মেঝে এবং সিঁড়ি পরষ্কিার করা ,টয়লটের ব্লক মেরামত ,দরজার শাটার পলিশিং ,জানালার সিল মেরামত, র্শীষ তলার অতিরিক্ত পুর্নবন্যিাস কাটা ,র্শীষ ফ্লোরের সিঁড়ি ও অন্য কয়েকটি জায়গার কিছু টাইলস পরির্বতন, ক্যাট দরজা ইত্যাদি ।

এই বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটির প্রোজেক্ট সাইট ইঞ্জিনিয়ার জহির বলেন , আমাদের সকল কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ ইমাম ও ইঞ্জিনিয়ার শফিউল আলমের তদারকি ও নির্দেশনায় হয়েছে । মেঝে ও দেওয়ালের ফাটলের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না তারাই এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে । তিনি আরও বলেন, টয়লেটের বিষয়টি আমাদের বলা হয়েছে কিন্তু আমাদের এই ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখের আগেই জিমনেশিয়াটি হস্তান্তর করতে হবে । এই সময়ের মধ্যে আমি এটা ঠিক করে দিতে পারব না , আমাকে আলাদা করে সময় দিতে হবে । কুয়েট থেকে যেসব ইঞ্জিনিয়াররা এসেছিলেন তারা আমাদের যেসব কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে আমরা এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করছি।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়য়ের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদ ইমাম বলেন , এখনো জিমনেশিয়াটি হস্তান্তর করা হয়নি বিল্ডিংটি আন্ডার কনস্ট্রাকশনে আছে। মেঝেতে যে ফাটল দেখা দিয়েছে ওটা প্যাটেনস্টোন এটা ফিনিশিং দেওয়া যায় না, লেবেলটা সমান করার জন্য করা হয়। ফাটল দেখা দেওয়ার পরে আমরা কুয়েট থেকে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল এনেছিলাম। তারা বলেছেন কনস্ট্রাকশনের জয়েন্টের কারণে ফাটল দেখা দিয়েছে। এটাকে মেরামত করার জন্য তারা পরামর্শ দিয়েছেন সে অনুযায়ী ঠিকাদাররা কাজ করছেন। প্লাস্টারের যে ফাটল দেখা দিয়েছে সেটা স্ট্রাকচারের না এগুলো মেরামত করার জন্য তাদের বলা হয়েছে । এছাড়াও উপরে গালারিতে যে রেলিংটা করা হয়েছে সেটাকে শক্তিশালী করার জন্য আলাদা সাপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। টয়লেটর সমস্যাকে তিনি ডিজাইনিং সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন , এই সমস্যা দেখার পর আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করেছি।

উদ্বোধনের পরপরই সৃষ্ট সমস্যাগুলোর কারণে পরবর্তীতে কতটুকু ভোগান্তির স্বীকার হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন – যে ফাটলগুলো দেখা দিয়েছে এগুলো মূলত প্লাস্টারের ফাটল স্ট্রাকচারের ফাটল নয়, এমন ফাটল যে কোন বিল্ডিংয়ে আসতে পারে এবং তিনি এই ত্রুটিগুলোর কারণ হিসেবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কে দায়ী করেছেন। তিনি আরও বলেন , এই ত্রুটি গুলোর কারণে ঠিকাদারির প্রতিষ্ঠানটির প্রায় দেড় কোটি টাকা আটকে রাখা হয়েছে । এই বিল্ডিং এখনো বুঝে নেওয়া হয়নি তাই সমাধানের পরেই এই টাকা দেওয়া হবে । এছাড়াও জিমনেশিয়ামের টয়লেটের কোমট, ফ্লাস, দরজাগুলাতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বিষয়ে তিনি বলেন, তারা বলেছে এগুলো পরিবর্তন করে দিবে। এজন্য তাদের বিল আমরা আটকে রেখেছি। যখন এগুলো লাগানো হয়েছে তখন তদারকি কমিটি ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী দায়িত্বে ছিলেন। আগে তার সাথে আলোচনা করে কাজগুলো করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি ঠিকাদার প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার জহিরের অভিযোগকে তিনি নাকচ করে বলেন , এই ভুল ত্রুটির দায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের। ঢালায়ের সময় জহির এখানে ছিলেন না ঠিকাদার প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন মিলন এবং এখানে শুধু আমরাই দেখাশোনা করি না তদারকি কমিটি সবার পরামর্শে কাজ হয়ে থাকে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর