১২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চাকরি দেবে বলে ডেকে নিয়ে মাঠের মধ্যে ৩ জন মিলে ধর্ষণ

যশোর সদর উপজেলার বাহাদপুর গ্রামের একটি মাঠে এক নারী (২৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নারীর দাবি চাকরির প্রলোভন দিয়ে ডেকে এনে তাকে তিনজনে মিলে ধর্ষণ করেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত নারী জানান, তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা এবং এতিম। মানুষের বাড়িতে কাজ করে বেড়ে উঠেছেন তিনি। খুলনার ফুলতলা উপজেলার পত্তিপুর গ্রামের মানিক কুন্ডুর সাথে তার পরিচয় ছিল। মানিক কুন্ডু তাকে একটি চাকরি পাইয়ে দেবার আশ্বাস দেয়। এজন্য তিনি ২০ হাজার টাকাও নেন। বিগত দুই মাস ধরে চাকরি না দিয়ে টালবাহান করছিলো।
সর্বশেষ তিনি জানান, শুক্রবার ছুটির দিন নিয়োগ কর্তার বাড়ি যশোরে নিয়ে যাবেন বলে জানান। সেই মোতাবেক শুক্রবার বিকেলে মানিক কুন্ডু তাকে নিয়ে যশোরে আসেন। যশোর পৌঁছানোর পর আরো দুইজনকে সাথে নেন মানিক কুন্ডু। এরপর সন্ধ্যার দিকে ইজিবাইকে করে হাশিমপুর যাবার উদ্দেশে নিয়ে যায়। পথে রাস্তায় নেমে বলে মাঠের ভিতর দিয়ে যেতে হবে। কিছু দূর যাওয়ার পর একটি বাগারে তাকে জাপটে ধরে। বাধা দিলে মারপিট করা হয়। এরপর তিন জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে যায়। অসুস্থ অবস্থায় সেখানে পড়ে থাকলে এক পথচারী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আজিজুল হাকিম বলছেন, ভর্তি নারীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তার রক্তক্ষরণ হওয়ায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নারীর অভিযোগ শুনেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, ওই নারীর অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্তদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ভুক্তভোগী নারীর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাকরি দেবে বলে ডেকে নিয়ে মাঠের মধ্যে ৩ জন মিলে ধর্ষণ

প্রকাশিত : ১০:২০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

যশোর সদর উপজেলার বাহাদপুর গ্রামের একটি মাঠে এক নারী (২৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই নারীর দাবি চাকরির প্রলোভন দিয়ে ডেকে এনে তাকে তিনজনে মিলে ধর্ষণ করেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত নারী জানান, তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা এবং এতিম। মানুষের বাড়িতে কাজ করে বেড়ে উঠেছেন তিনি। খুলনার ফুলতলা উপজেলার পত্তিপুর গ্রামের মানিক কুন্ডুর সাথে তার পরিচয় ছিল। মানিক কুন্ডু তাকে একটি চাকরি পাইয়ে দেবার আশ্বাস দেয়। এজন্য তিনি ২০ হাজার টাকাও নেন। বিগত দুই মাস ধরে চাকরি না দিয়ে টালবাহান করছিলো।
সর্বশেষ তিনি জানান, শুক্রবার ছুটির দিন নিয়োগ কর্তার বাড়ি যশোরে নিয়ে যাবেন বলে জানান। সেই মোতাবেক শুক্রবার বিকেলে মানিক কুন্ডু তাকে নিয়ে যশোরে আসেন। যশোর পৌঁছানোর পর আরো দুইজনকে সাথে নেন মানিক কুন্ডু। এরপর সন্ধ্যার দিকে ইজিবাইকে করে হাশিমপুর যাবার উদ্দেশে নিয়ে যায়। পথে রাস্তায় নেমে বলে মাঠের ভিতর দিয়ে যেতে হবে। কিছু দূর যাওয়ার পর একটি বাগারে তাকে জাপটে ধরে। বাধা দিলে মারপিট করা হয়। এরপর তিন জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে যায়। অসুস্থ অবস্থায় সেখানে পড়ে থাকলে এক পথচারী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আজিজুল হাকিম বলছেন, ভর্তি নারীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তার রক্তক্ষরণ হওয়ায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নারীর অভিযোগ শুনেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, ওই নারীর অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্তদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ভুক্তভোগী নারীর।