০৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফী মামলার আসামি তোফাজ্জল ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে: র‍্যাব

ভিকটিম আফসানা আক্তার ববি (২২) চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার কাঠগর এলাকার মৃত মোঃ আলী নুর এর মেয়ে। গত ২০২৩ সালে ভিকটিমের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং তার ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে ১নং বিবাদী তোফাজ্জল হোসেন এর সাথে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং ভিকটিমকে জোরারগঞ্জ থানাধীন জেনারেল হাসপাতালে চাকরীর ব্যবস্থা করে দেয়।

পরবর্তীতে গত ১ নভেম্বর ২০২৪খ্রিঃ তারিখে ১নং বিবাদী ভিকটিমকে চট্টগ্রাম জেলার জোরালগঞ্জ থানাধীন ৩নং জোরারগঞ্জ ইউপিস্থ মাইনদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পাশে একটি বাসা ভাড়া করে দেয় এবং উক্ত ভাড়া বাসায় এসে ১নং বিবাদী ভিকটিমকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকার শারীরিক মেলামেশা করে।

এসময় ১নং বিবাদী ভিকটিমের নগ্ন ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রাখে। ভিকটিম তাকে বিবাহের কথা বললে ১নং বিবাদী তাকে প্রায় সময় মারধর করে। পরবর্তীতে বিবাদী বিবাহ না করায় ভিকটিম চট্টগ্রাম জেলার আকবরশাহ থানা এলাকায় একাটি বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে।

১নং বিবাদী ভিকটিমের ভাড়াবাসার ঠিকানা সংগ্রহ করে ভিকটিমের বাসায় যায় এবং তার সাথে মেলামেশা না করলে তার মোবাইলে ধারনকৃত নগ্নছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।

পরবর্তীতে ১নং বিবাদী ২নং বিবাদী মোঃ মানিক’কে ভিকটিমের নগ্নছবি ও ভিডিও দেয় এবং গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ ভিকটিমের মোবাইলে তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে ১নং ও ২নং বিবাদীর সাথে হোটেলে না গেলে ভিকটিমের নগ্নছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়াসহ ভিকটিমকে গনধর্ষনের হুমকি প্রদান করে।

উক্ত ঘটনায় ভিকটি বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-১০, তারিখ-১২ এপ্রিল ২০২৬ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত২০২০) এর ৯(১) তৎসহ ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি আইন ৮(১)/৮(২)/৮(৩)।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উল্লেখিত মামালার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি তোফাজ্জল হোসেন ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল বাসস্টান্ড এলাকায় অবস্থান করছে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক ১.৩০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্নিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি তোফাজ্জল হোসেন (৩৬)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক ৯ ঘটিকায় র‌্যাব-৭,চট্টগ্রাম এর অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ধুমপাড়া আম্বিয়া ফিলিং স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার ২নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ মানিক(২৭)গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের সংক্রান্তে পরর্বতী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফী মামলার আসামি তোফাজ্জল ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে: র‍্যাব

প্রকাশিত : ০১:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ভিকটিম আফসানা আক্তার ববি (২২) চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার কাঠগর এলাকার মৃত মোঃ আলী নুর এর মেয়ে। গত ২০২৩ সালে ভিকটিমের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং তার ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে ১নং বিবাদী তোফাজ্জল হোসেন এর সাথে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং ভিকটিমকে জোরারগঞ্জ থানাধীন জেনারেল হাসপাতালে চাকরীর ব্যবস্থা করে দেয়।

পরবর্তীতে গত ১ নভেম্বর ২০২৪খ্রিঃ তারিখে ১নং বিবাদী ভিকটিমকে চট্টগ্রাম জেলার জোরালগঞ্জ থানাধীন ৩নং জোরারগঞ্জ ইউপিস্থ মাইনদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পাশে একটি বাসা ভাড়া করে দেয় এবং উক্ত ভাড়া বাসায় এসে ১নং বিবাদী ভিকটিমকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকার শারীরিক মেলামেশা করে।

এসময় ১নং বিবাদী ভিকটিমের নগ্ন ছবি ও ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রাখে। ভিকটিম তাকে বিবাহের কথা বললে ১নং বিবাদী তাকে প্রায় সময় মারধর করে। পরবর্তীতে বিবাদী বিবাহ না করায় ভিকটিম চট্টগ্রাম জেলার আকবরশাহ থানা এলাকায় একাটি বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে।

১নং বিবাদী ভিকটিমের ভাড়াবাসার ঠিকানা সংগ্রহ করে ভিকটিমের বাসায় যায় এবং তার সাথে মেলামেশা না করলে তার মোবাইলে ধারনকৃত নগ্নছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।

পরবর্তীতে ১নং বিবাদী ২নং বিবাদী মোঃ মানিক’কে ভিকটিমের নগ্নছবি ও ভিডিও দেয় এবং গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ ভিকটিমের মোবাইলে তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে ১নং ও ২নং বিবাদীর সাথে হোটেলে না গেলে ভিকটিমের নগ্নছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়াসহ ভিকটিমকে গনধর্ষনের হুমকি প্রদান করে।

উক্ত ঘটনায় ভিকটি বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-১০, তারিখ-১২ এপ্রিল ২০২৬ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত২০২০) এর ৯(১) তৎসহ ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি আইন ৮(১)/৮(২)/৮(৩)।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উল্লেখিত মামালার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি তোফাজ্জল হোসেন ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল বাসস্টান্ড এলাকায় অবস্থান করছে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক ১.৩০ ঘটিকায় র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্নিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি তোফাজ্জল হোসেন (৩৬)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে গত ১৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক ৯ ঘটিকায় র‌্যাব-৭,চট্টগ্রাম এর অপর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ধুমপাড়া আম্বিয়া ফিলিং স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার ২নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ মানিক(২৭)গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের সংক্রান্তে পরর্বতী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাদের চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডিএস./