পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এক চিকিৎসকের উপর সংঘবদ্ধ হামলার দৃশ্য ভিডিও ধারণ পঞ্চগড়ে মারধরের ভিডিও করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিককরতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছেন সোহাগ হায়দার (২৫) নামের এক সাংবাদিক। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
শনিবার বিকেলে উপজেলার ভজনপুর বাজারে এঘটনা ঘটে। সাংবাদিক সোহাগ বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম’র পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি এবং পঞ্চগড় অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভজনপুর বাজারে অবস্থিত ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’র ডেন্টিস্ট রবিউল ইসলাম বাবুকে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে একই বাজারের মুদি দোকানদার হাসিবুল ইসলাম এবং তার ছেলে ওলিউল্লাহ খান রনি, আল আমিন ও মানিকসহ কয়েকজন যুবক। ডেন্টিস্ট বাবু পাশের চা দোকানে বসে থাকা দৈনিক দেশেরপত্রের সাংবাদিক মমতাজ আলীর কাছে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়েও ডেন্টিস্ট বাবুর উপর হামলা করেন হাসিবুলসহ তার লোকজন। এ অবস্থায় সাংবাদিক মমতাজ হামলার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। পরিস্থিতি বেসামাল দেখে সাংবাদিক মমতাজ তার ছোট ভাই সাংবাদিক সোহাগকে খবর দেন। সোহাগ ঘটনাস্থলে আসা মাত্রই তাকেও আক্রমণ করে হামলাকারিরা। পরে পুলিশ এসে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন এবং স্থানীয়দের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠান।
সাংবাদিক সোহাগ হায়দার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্রই কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই হাসিবুলের লোকজন আমাকে সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে আমাদের বাঁচাতে আসে আমার ভাবি আসমা বেগম। তিনিও সন্ত্রসীদের হাতে শ্লীলতাহানি ও হামলার শিকার হন।’
এদিকে, সাংবাদিক সোহাগ হায়দারের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পঞ্চগড় অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ডিজার হোসেন বাদশা। বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে হামলাকারিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সায়েম মিয়া বলেন, ‘আমি খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।’
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















