স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক বলেছেন, আমরাটিকার মাধ্যমে করোনাকে দূর করবো। করোনার টিকা নেবার জন্য তিনি সাংবাদিকদের নেয়ারআহবান জানান। মন্ত্রী বলেন, করোনার টিকা আপনারা নেবেন, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন। টিকানিয়ে যাতে কোন ধরণের বিভ্রান্ত না ছড়ানো হয়। মানুষ এখন প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ লোককরোনার টিকা গ্রহণ করছে। এই টিকা সবচাইতে নিরাপদ করোনার টিকা।
এই টিকার মাধ্যমেইআমরা করোনাকে দূর করবো। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোভিডডেডিকেটেড নারায়ণগঞ্জ তিন’শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।এরআগে মন্ত্রী খানপুর এলাকায় কুমুদিনী ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড ক্যান্সার রিসার্চ ( কেআইএমএসকেয়ার) ভিত্তিপ্রস্তুর অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে কেআইএমএস কেয়ারের ভার্চুয়ালী উদ্বোধনকরেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীয় শেখ হাসিনা বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাইকে সতর্ক করে বলেন,পাশাপাশি আরেকটি কথা বলে দিতে চাই, করোনা কিন্তু এখনই চলে যাচ্ছেনা। মাস্ক পড়ারকথাটি ভুলে গেলে চলবেনা। মাস্ক পড়ার সাথে সাথে করোনার টিকা নিতে হবে। এভাবেই করেনাএকসময় দেশ থেকে বিদায় নেবে। আমরা আশেপাশের দেশগুলোর চেয়ে অনেক ভালো আছি।ইউরোপ আমেরিকার লকডাউনে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেবাংলাদেশ ভালো আছে।
মানুষ ব্যবসা বাণিজ্য করে চলতে পারছে, মানুষ কাজকর্ম খেতেপারছে। করোনা নিয়ন্ত্রণে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনকৃত কেআইএমএস কেয়ারপ্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখানে ৩০০ বেডের ক্যানসার চিকিৎসার হাসপাতাল নির্মাণের প্রক্রিয়াউন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই অঞ্চলের মানুষের বিশেষ করে ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসারজন্য একটি বিরাট ব্যবস্থা হবে। এখানে চিকিৎসার পাশাপাশি শিক্ষারও ব্যবস্থা থাকবে। নারায়ণগঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জ সারাবাংলাদেশে নারায়ণগঞ্জ অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখে। এখানে অনেক লোকের বসবাস। মানুষেরকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ দারুণ ভূমিকা রাখে। কাজেই নারায়ণগঞ্জের প্রতি আমাদেরস্পেশার নজর থাকবে। নারায়ণগঞ্জে যে হাসপাতালগুলো হয়েছে সেগুলো যাতে আরো ভালো হয়সেদিকে আমরা চেষ্টা করবো। গতবছর করোনার হটস্পট চিহ্নিত হওয়ার পর ডেডিকেটেডহাসপাতাল করা হয় নারায়ণগঞ্জ তিন’শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল।
এই হাসপাতাল পরিদর্শন শেষেমন্ত্রী বলেন, এখানে করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে সফলভাবে। এখানে ২ হাজার মানুষকে প্রতিদিনটিকা দেয়া হচ্ছে। করোনার উৎপত্তি নারায়ণগঞ্জ থেকে। করোনার তীব্রতা বাড়াকালীন আমিনারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের খবরাখবর বেশি নিয়েছে। করোনার সেন্টার এখন প্রায় করোনা মুক্ত।এখানকার সর্বস্তরের মানুষ মিলেমিশে কাজ করছে বিধায় এটি সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালটিরউন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এখানে আইসিইউ ছিলো না, সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন ছিলনা, এসবএখন হচ্ছে। সব ঠিক হয়ে গেলে সেবার মান আরো বাড়বে।
এই হাসপাতালটি কোভিড হাসপাতাল হওয়ায়অন্যান্য রোগের প্রতিদিন প্রায় ১ থেকে দেড় হাজার রোগী এখানে চিকিৎসেবা থেকে বঞ্চিতহচ্ছেন এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এরকম করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল অনেকগুলো হয়েছে। এইহাসপাতালের কতগুলি করোনা রোগী আছে আমি ঠিক জানিনা। তবে ৫জনও যদি থাকে একটিকর্ণারে সেবা নিবে, বাকি হাসপাতালে অন্যান্য যে রোগী আছে তারা চিকিৎসা নেবে। পেছনেরনির্মাণাধীন ভবনটির কাজও যত তাড়াতাড়ি শেষ করে দেয়া হবে। নগরীতে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও অব্যবহৃতসিজেএম কোর্ট ভবন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই ভবনটি হাসপাতাল করার জন্য অনুরোধ রয়েছে। আমরা এব্যাপারে যথাযথ গুরুত্বারোপ করবো। যাতে এইভবনটাকে আইনমন্ত্রণালয়ের সাথে কথাবলে নেয়ার চেষ্টা করবো। ভবনটি নিতে পারলে অবশ্যই এখানে একটি সুন্দর হাসপাতাল হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনেরএমপি শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমান, পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম,সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খালেদ হায়দারখান কাজল।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ























