০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩৯৪ জনের তালিকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০১০ সাল থেকে কর্মরত ৩৯৪ জন কর্মকর্তার তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ তালিকা বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

ওই তিন বিভাগে গত ২০০৮ থেকে ২০২০ সালে দায়িত্বে থাকাদের নাম, পদবি ও ঠিকানা সরবরাহ করতে ২১ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সময়ে অর্থপাচার রোধে এ কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা আছে কিনা এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়েছে।

এ আদেশ অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ডিপার্টমেন্ট অব ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স অ্যান্ড মার্কেটস-১৪৭ জন, ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট-৫৭ জন, ইন্টারন্যাল অডিট ডিপার্টমেন্ট-১৯০ জন ২০১০ সালে থেকে কর্মরত আছেন।

এর আগে ২০০৮ ও ২০০৯ সালে ম্যানুয়েল সিস্টেম থাকায় তাদের তালিকা প্রণয়নে সময় চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে ব্যর্থ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এজন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সময় প্রয়োজন।

গনমাধ্যমে ‘পি কে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে দুদক’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে গত ১৯ নভেম্বর তাকে বিদেশ থেকে ফেরাতে এবং গ্রেফতার করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে স্বপ্রণোদিত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় ২১ জানুয়ারি ওই আদেশ দেন হাইকোর্ট।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩৯৪ জনের তালিকা

প্রকাশিত : ১১:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০১০ সাল থেকে কর্মরত ৩৯৪ জন কর্মকর্তার তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ তালিকা বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

ওই তিন বিভাগে গত ২০০৮ থেকে ২০২০ সালে দায়িত্বে থাকাদের নাম, পদবি ও ঠিকানা সরবরাহ করতে ২১ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সময়ে অর্থপাচার রোধে এ কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা আছে কিনা এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলা হয়েছে।

এ আদেশ অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ডিপার্টমেন্ট অব ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স অ্যান্ড মার্কেটস-১৪৭ জন, ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট-৫৭ জন, ইন্টারন্যাল অডিট ডিপার্টমেন্ট-১৯০ জন ২০১০ সালে থেকে কর্মরত আছেন।

এর আগে ২০০৮ ও ২০০৯ সালে ম্যানুয়েল সিস্টেম থাকায় তাদের তালিকা প্রণয়নে সময় চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে ব্যর্থ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এজন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সময় প্রয়োজন।

গনমাধ্যমে ‘পি কে হালদারকে ধরতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে দুদক’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে গত ১৯ নভেম্বর তাকে বিদেশ থেকে ফেরাতে এবং গ্রেফতার করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে স্বপ্রণোদিত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় ২১ জানুয়ারি ওই আদেশ দেন হাইকোর্ট।