১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ডিএমপি’র স্টল

জনগণকে পুলিশের সহায়তা সম্পর্কে সচেতন করাই লক্ষ্য নিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রতিবারের মতো এবারো স্টল নিয়ে বসেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ আইন নিয়ে প্রকাশিত বই ৫০ ভাগ কমিশনে বিক্রি করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ‘পুলিশ আইন সহায়িকা’ যেটিতে ৪০ ভাগ কমিশন দেয়া হচ্ছে।

পুলিশের স্টলটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গ্রন্থমেলার পুলিশের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, মেলায় আগত বইপ্রেমীরা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত বই দেখছেন। আর স্টলে থাকা পুলিশ সদস্যরা ‘পুলিশ আইন’ সম্পর্কে তাদের ধারণা দিচ্ছেন। জরুরি মুহূর্তে পুলিশের সহায়তা কিভাবে নিতে হবে সে সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন। এভাবে মানুষের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা বদলে দিতে কাজ করছেন তারা।

স্টলের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জানান, পুলিশের সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হকের ‘কমিউনিটি পুলিশ’, গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশিনার মোশতাক আহমেদের ‘নিরাপত্তা হ্যান্ডবুক’ ও ‘বাংলাদেশ পুলিশ লেখক অভিধান’ বইয়ের বিক্রি ভালো।

স্টলের সার্বিক দায়িত্বরত নায়েক কামরুল হাসান বলেন, আমরা ব্যবসায়িক উদ্দেশে এখানে বসিনি। জনগণকে পুলিশের সহায়তা সম্পর্কে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য।

স্টলে ঘুরতে আসা একজন বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসা করার মতো। আমরা শুধু পুলিশের নেগেটিভ বিষয় দেখি। কিন্তু জনস্বার্থে পুলিশ অনেক কাজ করলেও তা আড়ালে থেকে যায়। বইমেলায় পুলিশের স্টল থাকাতে পুলিশি সেবা সম্পর্কে সবাই সহজে জানতে পারবে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ডিএমপি’র স্টল

প্রকাশিত : ০২:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

জনগণকে পুলিশের সহায়তা সম্পর্কে সচেতন করাই লক্ষ্য নিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রতিবারের মতো এবারো স্টল নিয়ে বসেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ আইন নিয়ে প্রকাশিত বই ৫০ ভাগ কমিশনে বিক্রি করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ‘পুলিশ আইন সহায়িকা’ যেটিতে ৪০ ভাগ কমিশন দেয়া হচ্ছে।

পুলিশের স্টলটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গ্রন্থমেলার পুলিশের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, মেলায় আগত বইপ্রেমীরা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত বই দেখছেন। আর স্টলে থাকা পুলিশ সদস্যরা ‘পুলিশ আইন’ সম্পর্কে তাদের ধারণা দিচ্ছেন। জরুরি মুহূর্তে পুলিশের সহায়তা কিভাবে নিতে হবে সে সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন। এভাবে মানুষের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা বদলে দিতে কাজ করছেন তারা।

স্টলের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জানান, পুলিশের সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হকের ‘কমিউনিটি পুলিশ’, গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশিনার মোশতাক আহমেদের ‘নিরাপত্তা হ্যান্ডবুক’ ও ‘বাংলাদেশ পুলিশ লেখক অভিধান’ বইয়ের বিক্রি ভালো।

স্টলের সার্বিক দায়িত্বরত নায়েক কামরুল হাসান বলেন, আমরা ব্যবসায়িক উদ্দেশে এখানে বসিনি। জনগণকে পুলিশের সহায়তা সম্পর্কে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য।

স্টলে ঘুরতে আসা একজন বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসা করার মতো। আমরা শুধু পুলিশের নেগেটিভ বিষয় দেখি। কিন্তু জনস্বার্থে পুলিশ অনেক কাজ করলেও তা আড়ালে থেকে যায়। বইমেলায় পুলিশের স্টল থাকাতে পুলিশি সেবা সম্পর্কে সবাই সহজে জানতে পারবে।