১২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিকেলে স্মৃতিসৌধে যাবেন নতুন প্রধান বিচারপতি

নব নিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। রবিবার বিকেল ৩টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন তিনি।

এর আগে দুপুর দেড়টায় তিনি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া এ বিচারপতি ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি পদে থাকবেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী থাকা অবস্থায় ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৩ সালে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। পরবর্তীকালে ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

বিকেলে স্মৃতিসৌধে যাবেন নতুন প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত : ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

নব নিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। রবিবার বিকেল ৩টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন তিনি।

এর আগে দুপুর দেড়টায় তিনি রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া এ বিচারপতি ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি পদে থাকবেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী থাকা অবস্থায় ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৩ সালে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন। পরবর্তীকালে ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।