০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আলু রফতানির ২০ শতাংশ ভর্তুকি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, অসহায় কৃষক

কখনও কৃষক আবার কখনও রফতানিকারক সেজে রংপুর অঞ্চলে উৎপাদিত আলুর সুফল ছিনিয়ে নিচ্ছেন ফটকা ব্যবসায়ীরা। আলু রফতানির ক্ষেত্রে সরকারের ২০ শতাংশ ভর্তুকি হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এ ছাড়া মূল্য বিপর্যয় থেকে রক্ষায় রংপুর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলু রফতানির যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তার সুফলও ছিনিয়ে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। 

আগাম আলু উঠেছে রংপুরের মাঠে মাঠে। সরকারিভাবে আলুর উৎপাদন খরচ কেজিতে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে রংপুরের গ্রামগঞ্জ থেকে বাছাই করে ভালো আলু ৭-৮ টাকা কেজিতে কিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্যাকেটজাত করে দিচ্ছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যবসায়ীদের হাতে। ১৫ টনের এক ট্রাক আলু বেচে আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ করছে স্থানীয় মৌসুমি পাইকাররা।

রংপুরের আলুচাষিদের লোকসান কমাতে গত বছর এক হাজার মেট্রিক টন আলু বিশেষ ব্যবস্থায় বিদেশে পাঠিয়েছে সরকারের কৃষি বিপণন অধিদফতর। এবার যাবে ২ হাজার মেট্রিক টন। আর আগেই এই খবর জেনে বাইরের ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চলে এসে শত শত হেক্টর জমি নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে নিজেরাই আবাদ করেছে আলু।

এবার মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি রফতানিকারকদের সঙ্গে আলুচাষিদের যুক্ত করে দেয়ার কথা বলছেন কৃষি বিপণন অধিদফতর উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন

মূল্য-বিপর্যয় এড়াতে এবার আলু আবাদে নিরুৎসাহিত করেছিল কৃষি বিভাগ। ১৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের জন্য জমি কমিয়ে ৫১ হাজার হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা করা হলেও আবাদ হয়েছে সাড়ে ৫৩ হাজার হেক্টরে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হাটহাজারীতে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বস্তি নিম্নআয়ের পরিবারে

আলু রফতানির ২০ শতাংশ ভর্তুকি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, অসহায় কৃষক

প্রকাশিত : ০৯:২৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

কখনও কৃষক আবার কখনও রফতানিকারক সেজে রংপুর অঞ্চলে উৎপাদিত আলুর সুফল ছিনিয়ে নিচ্ছেন ফটকা ব্যবসায়ীরা। আলু রফতানির ক্ষেত্রে সরকারের ২০ শতাংশ ভর্তুকি হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এ ছাড়া মূল্য বিপর্যয় থেকে রক্ষায় রংপুর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলু রফতানির যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তার সুফলও ছিনিয়ে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। 

আগাম আলু উঠেছে রংপুরের মাঠে মাঠে। সরকারিভাবে আলুর উৎপাদন খরচ কেজিতে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে রংপুরের গ্রামগঞ্জ থেকে বাছাই করে ভালো আলু ৭-৮ টাকা কেজিতে কিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্যাকেটজাত করে দিচ্ছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যবসায়ীদের হাতে। ১৫ টনের এক ট্রাক আলু বেচে আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা লাভ করছে স্থানীয় মৌসুমি পাইকাররা।

রংপুরের আলুচাষিদের লোকসান কমাতে গত বছর এক হাজার মেট্রিক টন আলু বিশেষ ব্যবস্থায় বিদেশে পাঠিয়েছে সরকারের কৃষি বিপণন অধিদফতর। এবার যাবে ২ হাজার মেট্রিক টন। আর আগেই এই খবর জেনে বাইরের ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চলে এসে শত শত হেক্টর জমি নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে নিজেরাই আবাদ করেছে আলু।

এবার মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি রফতানিকারকদের সঙ্গে আলুচাষিদের যুক্ত করে দেয়ার কথা বলছেন কৃষি বিপণন অধিদফতর উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন

মূল্য-বিপর্যয় এড়াতে এবার আলু আবাদে নিরুৎসাহিত করেছিল কৃষি বিভাগ। ১৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের জন্য জমি কমিয়ে ৫১ হাজার হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা করা হলেও আবাদ হয়েছে সাড়ে ৫৩ হাজার হেক্টরে।