বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি শওকত মাহমুদকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। পুলিশের প্রিজন ভ্যানে হামলা ও ভাঙচুর করে বিএনপির আটক নেতাকর্মীদের ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগের মামলায় তাকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের এ আদেশ দেন।
আদালতে শওকত মাহমুদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এম আতিকুর রহমান মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মো. গোলাম আকতার জাকির ও অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম খান।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জানুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিচারিক আদালত থেকে ফেরার সময় হাইকোর্টের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। দলটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে প্রিজন ভ্যান থেকে আটক নেতাকর্মীদের ছিনিয়ে নেয়। তারা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরও করে।
ওই ঘটনায় বিএনপির স্থায়ি কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ ৮শ’ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাহবাগ ও রমনা থানায় পৃথক তিনটি মামলা করে পুলিশ। এরমধ্যে রমনা থানার এক মামলায় শওকত মাহমুদকে আসামি করা হয়েছে।
আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আতিকুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে পুলিশের দায়ের করা মামলায় সোমবার আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করেন সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ। শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট তার আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।
তিনি আরও বলেন, যে ঘটনায় শওকত মাহমুদের নামে মামলা হয়েছে, তার আগে থেকেই তিনি খাগড়াছড়িতে অবস্থান করছিলেন।


























