১১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর আমির আলীসহ ৪ জনের রায় যে কোনো দিন

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় নোয়াখালীর সুধারমের আমির আলীসহ চার জনের বিরুদ্ধে যে কোন রায় (সিএভি) ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধপরাধের মামলায় এটি ট্রাইব্যুনালের ৩১তম রায়।

২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। আনীত অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন দাবী করে আসামীদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন শুনানি করেন।

আসামি চারজনের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও আব্দুল কুদ্দুস এবং পলাতক রয়েছেন আবুল কালাম ওরফে একেএম মনসুর।

মামলার অন্য আসামি ইউসুফ আলী গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নোয়াখালীর সুধারামে ১১১ জনকে হত্যা-গণহত্যার তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৬ সালের ২০ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ চারজনের বিচার শুরু হয়।

২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর আসামীদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরে ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসহ গ্রেফতার: ১

নোয়াখালীর আমির আলীসহ ৪ জনের রায় যে কোনো দিন

প্রকাশিত : ০২:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় নোয়াখালীর সুধারমের আমির আলীসহ চার জনের বিরুদ্ধে যে কোন রায় (সিএভি) ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধপরাধের মামলায় এটি ট্রাইব্যুনালের ৩১তম রায়।

২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। আনীত অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন দাবী করে আসামীদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন শুনানি করেন।

আসামি চারজনের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও আব্দুল কুদ্দুস এবং পলাতক রয়েছেন আবুল কালাম ওরফে একেএম মনসুর।

মামলার অন্য আসামি ইউসুফ আলী গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নোয়াখালীর সুধারামে ১১১ জনকে হত্যা-গণহত্যার তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০১৬ সালের ২০ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ চারজনের বিচার শুরু হয়।

২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর আসামীদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়।