রংপুর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ভরা মৌসুমে টমেটোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করতে রংপুরে প্রথমবারের মতো টমেটো প্রসেসিং সেন্টারের কার্যক্রম শুরু করেছে। এই প্রসেসিং এর মাধ্যমে তৈরি করা হবে পাল্প বা সস। যা উদ্যেক্তাদের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে বিক্রি করা হবে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বলছে, এতে কৃষকরা লাভবান হবেন, কমবে আমদানি নির্ভরশীলতাও।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সূত্রে বলছে, প্রতিবছর রংপুর বিভাগে টমেটো উৎপাদন হয় প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন। যা দেশে মোট উৎপাদনের অর্ধেক। কিন্তু টমেটো সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা না থাকায় ভরা মৌসুমে লোকসান গুণতে হয় কৃষকদের। এবার কৃষকদের কথা বিবেচনায় এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য টমেটো প্রসেসিং সেন্টার চালু করেছে রংপুর কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। সেন্টারে গ্রেডিং মেশিনে টমেটো বাছাইয়ের পর কয়েকধাপ পেরিয়ে বয়লারে হিট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাল্প বা সস। প্রতিঘণ্টায় আড়াইশো কেজি টমেটো প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব। যা হবে স্বাস্থ্যসম্মত এবং জীবানুমুক্ত।
রংপুর টমেটো প্রসেসিং সেন্টারের অপারেটর শাহ আলম বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত এবং উন্নত মানের টমেটো নেয়া হয়। এতে কোন কেমিক্যাল নেই। শুধুমাত্র প্রিজারবেটিভ দিয়ে প্যাকেজ করা হয়।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমান বাজারে টমেটোর বাজার মূল্য অনেক কম । প্রসেসিং প্রক্রিয়া যদি চলমান থাকে তবে আমার এলাকার কৃষক ভাইয়েরা লাভবান হবেন। টমেটো আবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















