০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভূমিধসে ৪৪ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে রবিবার সকালে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ ফ্লোরস দ্বীপে ইস্টার সানডের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বন্যায় বাড়ি-ঘর, ব্রিজ এবং রাস্তা-ঘাঁট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা সংস্থার মুখপাত্র রাদিতিয়া জাতি এএফপি নিউজ এজেন্সিকে বলেন, পূর্ব ফ্লোরস দ্বীপে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৯ জন আহত হয়েছে। এখনও অনেকেই মাটিচাপা পড়ে আছেন। উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বৃষ্টিপাত এখনও হচ্ছে এবং ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরেই আবহাওয়া খারাপ থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ওই কর্মকর্তা। এদিকে রবিবার বিমা শহরেও বন্যায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। চার স্থানে বাঁধের ওপর পানি উপচে পড়ছে। বর্ষার মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার ঘটনা প্রায় দেখা যায়। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় জাভার সুমেদাং শহরে বৃষ্টি, বন্যা ৪০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে বোর্নো এলাকায় ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গণতান্ত্রিক সরকারের তথ্য কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে: অধ্যাপক নাহরিন

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভূমিধসে ৪৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১২:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ এপ্রিল ২০২১

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে রবিবার সকালে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ ফ্লোরস দ্বীপে ইস্টার সানডের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বন্যায় বাড়ি-ঘর, ব্রিজ এবং রাস্তা-ঘাঁট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা সংস্থার মুখপাত্র রাদিতিয়া জাতি এএফপি নিউজ এজেন্সিকে বলেন, পূর্ব ফ্লোরস দ্বীপে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৯ জন আহত হয়েছে। এখনও অনেকেই মাটিচাপা পড়ে আছেন। উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বৃষ্টিপাত এখনও হচ্ছে এবং ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরেই আবহাওয়া খারাপ থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ওই কর্মকর্তা। এদিকে রবিবার বিমা শহরেও বন্যায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। চার স্থানে বাঁধের ওপর পানি উপচে পড়ছে। বর্ষার মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার ঘটনা প্রায় দেখা যায়। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় জাভার সুমেদাং শহরে বৃষ্টি, বন্যা ৪০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে বোর্নো এলাকায় ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়।