০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আবাসিক এলাকায় একাধিক পরিবারকে জিম্মি করে অনুমোদনহীন বেকারীর কারখানা

অনুমোদনহীন বেকারীর কারখানা

মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার অম্বিকাপুর ওয়ার্ডে আবাসিক এলাকায় একাধিক পরিবারকে জিম্মি করে অনুমোদনহীন বেকারি কারখানা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

কারখানাটির কারনে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আতংকে ভুগছেন বহু পরিবার। এই কারখানা চালু হলে তার ধুঁয়া ও শব্দদুষণ সৃষ্টি হবে। শিশু ও বৃদ্ধ নর নারীর ভোগান্তি দেখা দিবে। ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়ার বেঘাত ঘটবে। মহিলাদের চলাফেরা গৃহস্থালি কাজ ও পর্দা পরিসতমতো চলতে সমস্যা হবে বলে দাবী করেন ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম গোলদার।

তিনি আরো বলেন, শত নিষেধ করা সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে বাহুবলে কারখানাটি নির্মান করেন আব্দুল হক জমদ্দার ও তার মেজ ছেলে ওহাব জমদ্দার । কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পৌর এলাকায় বাড়ির ভেতরেই একটি বসত ঘরের দেয়াল ঘেষে কারখানা স্থাপন করায় পরিবারটি জিম্মি হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২৮ এপ্রিল ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ খাদ্য তৈরির কারখানার নেই কোনো সরকারি অনুমোদন। কারখানায় নেই স্যানিটেশন এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। এমনকি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোড পর্যন্ত নেই।

কারখানার মালিক আঃ হক জমদ্দার বলেন, তিনি কয়েকদিন যাবত এ কারখানার কাজ শুরু করেছে তাই পরিবেশ তৈরি করতে একটু সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন, এখনো কারখানা চালু করা হয়নি তবে ট্রেড লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন নিতে সময়ের প্রয়োজন।

মেহেন্দিগঞ্জ নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ( স্যানিটারী ইন্সপেক্টর) নাছিমা বেগম বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেকারি শিল্প-প্রতিষ্ঠান করতে প্রথমেই প্রয়োজন বিএসটিআই এর অনুমোদন। আবাসিক এলাকার বাহিরে হতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও কলকারখানা অধিদপ্তরের অনুমোদন। এ আইন অমান্য করে যারা কারখানা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে কলকারখানা অধিদপ্তর। তিনি আরো জানান অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহ্যত আছে।

মানসম্মত খাবার তৈরি নিশ্চিত করতে অবৈধ বেকারিগুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

আবাসিক এলাকায় একাধিক পরিবারকে জিম্মি করে অনুমোদনহীন বেকারীর কারখানা

প্রকাশিত : ০৮:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার অম্বিকাপুর ওয়ার্ডে আবাসিক এলাকায় একাধিক পরিবারকে জিম্মি করে অনুমোদনহীন বেকারি কারখানা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

কারখানাটির কারনে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আতংকে ভুগছেন বহু পরিবার। এই কারখানা চালু হলে তার ধুঁয়া ও শব্দদুষণ সৃষ্টি হবে। শিশু ও বৃদ্ধ নর নারীর ভোগান্তি দেখা দিবে। ছেলে-মেয়েদের লেখা পড়ার বেঘাত ঘটবে। মহিলাদের চলাফেরা গৃহস্থালি কাজ ও পর্দা পরিসতমতো চলতে সমস্যা হবে বলে দাবী করেন ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম গোলদার।

তিনি আরো বলেন, শত নিষেধ করা সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে বাহুবলে কারখানাটি নির্মান করেন আব্দুল হক জমদ্দার ও তার মেজ ছেলে ওহাব জমদ্দার । কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পৌর এলাকায় বাড়ির ভেতরেই একটি বসত ঘরের দেয়াল ঘেষে কারখানা স্থাপন করায় পরিবারটি জিম্মি হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২৮ এপ্রিল ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ খাদ্য তৈরির কারখানার নেই কোনো সরকারি অনুমোদন। কারখানায় নেই স্যানিটেশন এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। এমনকি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোড পর্যন্ত নেই।

কারখানার মালিক আঃ হক জমদ্দার বলেন, তিনি কয়েকদিন যাবত এ কারখানার কাজ শুরু করেছে তাই পরিবেশ তৈরি করতে একটু সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন, এখনো কারখানা চালু করা হয়নি তবে ট্রেড লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন নিতে সময়ের প্রয়োজন।

মেহেন্দিগঞ্জ নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ( স্যানিটারী ইন্সপেক্টর) নাছিমা বেগম বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেকারি শিল্প-প্রতিষ্ঠান করতে প্রথমেই প্রয়োজন বিএসটিআই এর অনুমোদন। আবাসিক এলাকার বাহিরে হতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও কলকারখানা অধিদপ্তরের অনুমোদন। এ আইন অমান্য করে যারা কারখানা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে কলকারখানা অধিদপ্তর। তিনি আরো জানান অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহ্যত আছে।

মানসম্মত খাবার তৈরি নিশ্চিত করতে অবৈধ বেকারিগুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ