০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

গণপরিবহন চালুর পরেই গাজীপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজট

গণপরিবহন চালু হওয়ার পরেই যানবাহনের চাপে গাজীপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। গণপরিবহন খুললেও আন্তঃজেলা বাস না খোলায় দূরপাল্লার যাত্রীরা ভেঙ্গে ভেঙ্গে লোকাল বাসে করে ছুটছেন গন্তব্যের পথে। অনেকে ঈদের কেনাকাটার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছেন।

দীর্ঘ ২২ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার গণপরিবহণ চালু হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধুমাত্র জেলার গাড়ি জেলাতে চলাচল করতে পারবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেকেই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। সীমিত পরিসরে লোকাল বাস গুলোতে যাত্রী নেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। উল্টো দ্বিগুণ ভাড়া দেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা।

ট্রাফিক পুলিশ বলেছে, গণপরিবহন চলাচলের পাশাপাশি সড়ক মহাসড়কে ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজটের পরিচিত দৃশ্য ফিরে এসেছে।

দূরপাল্লার যাত্রীরা বলেছেন, ঢাকা থেকে লোকাল বাসগুলোতে চেপে তারা সীমানাবর্তী এলাকায় যাচ্ছেন। সেখান থেকে জেলার লোকাল বাসে চেপে ভেঙে ভেঙে তারা গন্তব্যের পথে রওনা দিযেছেন।

ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা বলছেন, মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০ শতাংশ) বেশি যাত্রী বহন না করার কথা থাকলেও তা মানছেন না পরিবহন শ্রমিকরা। উল্টো বিদ্যমান ভাড়ার ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করে সমন্বয়কৃত ভাড়ার ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন অনেকেই।

সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, শহরের রেলগেট এলাকায়, রাজবাড়ির ঢালে, শিববাড়ী মোড়ে, বাজার-বাস স্ট্যান্ড রোড সংযোগ সড়কে গাড়ির দীর্ঘ যানজট লেগেই আছে। ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করা এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও তা মানছেন না অনেকেই।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত ১৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন টানা তৃতীয় দফা বিধিনিষেধ (লকডাউন) শেষে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী এবং বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গণপরিবহন চালুর পরেই গাজীপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজট

প্রকাশিত : ০৫:২২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

গণপরিবহন চালু হওয়ার পরেই যানবাহনের চাপে গাজীপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। গণপরিবহন খুললেও আন্তঃজেলা বাস না খোলায় দূরপাল্লার যাত্রীরা ভেঙ্গে ভেঙ্গে লোকাল বাসে করে ছুটছেন গন্তব্যের পথে। অনেকে ঈদের কেনাকাটার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছেন।

দীর্ঘ ২২ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার গণপরিবহণ চালু হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধুমাত্র জেলার গাড়ি জেলাতে চলাচল করতে পারবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেকেই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। সীমিত পরিসরে লোকাল বাস গুলোতে যাত্রী নেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। উল্টো দ্বিগুণ ভাড়া দেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা।

ট্রাফিক পুলিশ বলেছে, গণপরিবহন চলাচলের পাশাপাশি সড়ক মহাসড়কে ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজটের পরিচিত দৃশ্য ফিরে এসেছে।

দূরপাল্লার যাত্রীরা বলেছেন, ঢাকা থেকে লোকাল বাসগুলোতে চেপে তারা সীমানাবর্তী এলাকায় যাচ্ছেন। সেখান থেকে জেলার লোকাল বাসে চেপে ভেঙে ভেঙে তারা গন্তব্যের পথে রওনা দিযেছেন।

ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা বলছেন, মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০ শতাংশ) বেশি যাত্রী বহন না করার কথা থাকলেও তা মানছেন না পরিবহন শ্রমিকরা। উল্টো বিদ্যমান ভাড়ার ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করে সমন্বয়কৃত ভাড়ার ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন অনেকেই।

সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, শহরের রেলগেট এলাকায়, রাজবাড়ির ঢালে, শিববাড়ী মোড়ে, বাজার-বাস স্ট্যান্ড রোড সংযোগ সড়কে গাড়ির দীর্ঘ যানজট লেগেই আছে। ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করা এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও তা মানছেন না অনেকেই।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত ১৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন টানা তৃতীয় দফা বিধিনিষেধ (লকডাউন) শেষে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী এবং বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ