০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানে আরও ১৮টি ফাইটার প্লেন পাঠাল আমেরিকা

সৈন্য সরাতে আফগানিস্তানে আরও যুদ্ধবিমান পাঠাল আমেরিকা। হামলা এড়াতেই এই পরিকল্পনা, জানিয়েছেন মার্কিন সেনাপ্রধান।

ছয়টি বি৫২ লংরেঞ্জ বোম্বার এবং ১২টি এফ১৮ ফাইটার প্লেন আফগানিস্তানে পাঠিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের প্রয়োজনেই ওই যুদ্ধবিমানগুলো পাঠানো হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সেনা প্রত্যাহারের জন্য এত যুদ্ধবিমান পাঠানোর কারণ কী? মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ১ মে থেকে গোটা আফগানিস্তানে সহিংসতা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফলে মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়ার মুহূর্তে যাতে তাদের ওপর আক্রমণ নেমে না আসে, তা দেখতেই ওই যুদ্ধবিমানগুলো পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, এ বছর ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্ত মার্কিন সেনা আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। দেশে ফিরবেন আড়াই হাজার সেনা এবং ১৬ হাজার সিভিল কন্ট্রাক্টর।

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে ছিল মার্কিন সেনা। ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়েছে তারা। একই সঙ্গে লড়াই হয়েছে তালেবানের সঙ্গে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি করেন গত বছর। তাতে স্থির হয়েছিল, আপাতত তালেবান এবং আমেরিকা কেউ কাউকে আক্রমণ করবে না। ১ মে’র মধ্যে অ্যামেরিকা আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে নেবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রংপুরে ভোটের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার

আফগানিস্তানে আরও ১৮টি ফাইটার প্লেন পাঠাল আমেরিকা

প্রকাশিত : ০৩:১৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

সৈন্য সরাতে আফগানিস্তানে আরও যুদ্ধবিমান পাঠাল আমেরিকা। হামলা এড়াতেই এই পরিকল্পনা, জানিয়েছেন মার্কিন সেনাপ্রধান।

ছয়টি বি৫২ লংরেঞ্জ বোম্বার এবং ১২টি এফ১৮ ফাইটার প্লেন আফগানিস্তানে পাঠিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের প্রয়োজনেই ওই যুদ্ধবিমানগুলো পাঠানো হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, সেনা প্রত্যাহারের জন্য এত যুদ্ধবিমান পাঠানোর কারণ কী? মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ১ মে থেকে গোটা আফগানিস্তানে সহিংসতা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফলে মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়ার মুহূর্তে যাতে তাদের ওপর আক্রমণ নেমে না আসে, তা দেখতেই ওই যুদ্ধবিমানগুলো পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, এ বছর ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্ত মার্কিন সেনা আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। দেশে ফিরবেন আড়াই হাজার সেনা এবং ১৬ হাজার সিভিল কন্ট্রাক্টর।

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে ছিল মার্কিন সেনা। ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়েছে তারা। একই সঙ্গে লড়াই হয়েছে তালেবানের সঙ্গে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি করেন গত বছর। তাতে স্থির হয়েছিল, আপাতত তালেবান এবং আমেরিকা কেউ কাউকে আক্রমণ করবে না। ১ মে’র মধ্যে অ্যামেরিকা আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে নেবে।