০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

ছুটে আসছে চীনা রকেটের খণ্ডাংশ: ধরা পড়ল ইতালীয় বিজ্ঞানীর ক্যামেরায়

ইতালির একজন জ্যোতিঃপদার্থবিদ মহাকাশে নিয়ন্ত্রণহীন চীনা রকেটের বিশাল ধ্বংসাবশেষের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

লং মার্চ ৫বি রকেটের শনিবার (৮ মে) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কোন সময়ে এবং কোন অঞ্চলে এটি পতিত হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা এখনও সম্ভব হয়নি। এ ধরণের পূর্বাভাস মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেয়া সম্ভব হয় কারণ আহ্নিক গতির ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর পতন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পরিবর্তিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২৩ টনের এই রকেটটি বায়ুমণ্ডলে পতিত হওয়ার সময়েই টুকরো টুকরো হওয়া শুরু করবে এবং অধিকাংশই আগুনে পুড়ে যাবে। পুড়ে যাওয়ার পর বাকি অংশগুলোই পৃথিবীর ভূমিতে পড়বে। পৃথিবীর ৭০ ভাগই সাগর হওয়ায় সাগরে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি, তবে অবশ্যই এটি নিশ্চিত নয়।

ইতালীয় জ্যোতিঃপদার্থবিদ গিয়ানলুকা মাসি অনলাইনে একটি ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রকল্প পরিচালনা করেন। তিনি ১৭ ইঞ্চির প্যারমাউন্ট রোবটিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই রকেটের ০.৫ সেকেন্ড এক্সপোজারের একটি ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

ছবিটির বর্ণনায় মাসি লিখেছেন, ‘ছবিটি তোলার সময় রকেটটি আমাদের টেলিস্কোপ থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। তখন সূর্য ছিল দিগন্ত থেকে কয়েক ডিগ্রি নিচে। তাই আকাশ ভীষণ উজ্জ্বল ছিল।’

গত ২৮ এপ্রিল কক্ষপথে স্থাপনের উদ্দেশ্যে ইংরেজি টি আকারের মহাকাশ স্টেশনের মূল মডিউলটি উৎক্ষেপণ করতে লং মার্চ ৫বি রকেটটি ব্যবহার করা হয়। রকেটটি মহাকাশ স্টেশন থেকে আলাদা হওয়ার পর কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। ২০২২ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন প্রস্তুত করে ফেলতে চায় চীন। এজন্য আরও ১০টি উৎক্ষেপণের প্রয়োজন হবে।

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

ছুটে আসছে চীনা রকেটের খণ্ডাংশ: ধরা পড়ল ইতালীয় বিজ্ঞানীর ক্যামেরায়

প্রকাশিত : ০৫:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

ইতালির একজন জ্যোতিঃপদার্থবিদ মহাকাশে নিয়ন্ত্রণহীন চীনা রকেটের বিশাল ধ্বংসাবশেষের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

লং মার্চ ৫বি রকেটের শনিবার (৮ মে) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কোন সময়ে এবং কোন অঞ্চলে এটি পতিত হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা এখনও সম্ভব হয়নি। এ ধরণের পূর্বাভাস মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেয়া সম্ভব হয় কারণ আহ্নিক গতির ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর পতন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পরিবর্তিত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২৩ টনের এই রকেটটি বায়ুমণ্ডলে পতিত হওয়ার সময়েই টুকরো টুকরো হওয়া শুরু করবে এবং অধিকাংশই আগুনে পুড়ে যাবে। পুড়ে যাওয়ার পর বাকি অংশগুলোই পৃথিবীর ভূমিতে পড়বে। পৃথিবীর ৭০ ভাগই সাগর হওয়ায় সাগরে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি, তবে অবশ্যই এটি নিশ্চিত নয়।

ইতালীয় জ্যোতিঃপদার্থবিদ গিয়ানলুকা মাসি অনলাইনে একটি ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রকল্প পরিচালনা করেন। তিনি ১৭ ইঞ্চির প্যারমাউন্ট রোবটিক টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই রকেটের ০.৫ সেকেন্ড এক্সপোজারের একটি ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

ছবিটির বর্ণনায় মাসি লিখেছেন, ‘ছবিটি তোলার সময় রকেটটি আমাদের টেলিস্কোপ থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। তখন সূর্য ছিল দিগন্ত থেকে কয়েক ডিগ্রি নিচে। তাই আকাশ ভীষণ উজ্জ্বল ছিল।’

গত ২৮ এপ্রিল কক্ষপথে স্থাপনের উদ্দেশ্যে ইংরেজি টি আকারের মহাকাশ স্টেশনের মূল মডিউলটি উৎক্ষেপণ করতে লং মার্চ ৫বি রকেটটি ব্যবহার করা হয়। রকেটটি মহাকাশ স্টেশন থেকে আলাদা হওয়ার পর কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। ২০২২ সালের মধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন প্রস্তুত করে ফেলতে চায় চীন। এজন্য আরও ১০টি উৎক্ষেপণের প্রয়োজন হবে।