সরকারের লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে করোনা সংক্রমনের ঝুকি মাথায় নিয়েই ঢাকাসহ তার আশপাশের জেলা গুলো থেকে বাড়ী আসছে মানুষ।সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বনলতা নামের ইউটিলিটি ফেরি প্রায় ১২ শতাধিক যাত্রী ও ১টি এম্বুলেন্স নিয়ে দৌলতদিয়ার ৫ নং ফেরি ঘাটে আসে। এ সময় যাত্রীদের সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়ানি। এছাড়া অনেকে মুখে ছিলো না মাস্ক।
দুর পাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট গাড়ী মাইক্রবাস,প্রাইভেট,সিএজি,মোটর সাইকেল অটো রিক্সাসহ বিভিন্ন উপায়ে পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে এসে পৌছাচ্ছেন ঘর মূখী মানুষ।লঞ্চ ফেরি বন্ধ থাকায় যাত্রীরা সকাল থেকে পারের জন্য ফেরি ঘাটে অপেক্ষা করতে থাকে।এসময় একটি রুগিবাহী এম্বুলেন্স আসলে ফেরির ঢালা খুলে দেবার সাথে সাথে যাত্রীরা একযোগে ফেরিতে উঠে য়ায়।পরে পাটুরিয়া থেকে বনলতা নামের ইউটিলিটি ফেরিটি সকাল সারে ১১ টায় প্রায় ১২ শতাধিক যাত্রী ও ১ টি এম্বুলেন্স নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌছায়।
সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে মাইক্রবাস প্রাইভেটকার,রুগী বাহী এম্বুলেন্সসহ শতাধকি ব্যক্তিগত গাড়ীর ঝটলা দেখা গেছে।ঢাকা যাবার উদ্দ্যেসে কিছু যাত্রী ব্যক্তিগত ছোট গাড়ী,মাহিন্দ্র ও মোটরসাইকেলে করে দৌলতদিয়া আসছে।তবে বিশেষ কারণ ছাড়া তাদেরকেও ফিরিয়ে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অন্যদিকে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে তেমন যানবাহন দেখা যায়নি। স্থানীয় কিছু ছোট গাড়ী ছাড়া আর কোন গাড়ী নেই মহাসড়কে। অনেকটাই ফাঁকা এই মহাসড়কটি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহনের(বিআইডবিøটিসি)দৌলতদিয়া-আরিচা কার্যালয়ের উপ-সহকারি মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, “দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট বড় মোট ১৬ টি ফেরি রয়েছে। কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শুধুমাত্র জরুরী সেবা রোগী, লাশ বা রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত গাড়ি পারাপারের জন্য উভয়ঘাটে কয়েকটি ছোট ফেরি রাখা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ১৬টি ফেরি দিয়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যবাহী গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। কিন্তু উভয় পারে পারাপারের জন্য বিভিন্ন উপায়ে ফেরি ঘাটে এসে ঘর মূখী মানুষ ভির করে থাকে। একটি রুগিবাহী এম্বুলেন্স আসলে ফেরির ঢালা খুলে দেবার সাথে সাথে যাত্রীরা একযোগে ফেরিতে উঠে য়ায়। তাদেরকে কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছেনা।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















