০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরে তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ নগরবাসী; বাড়ছে আবহাওয়ার জনিত রোগ

একদিকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে জনজীবনে বাড়ছে আতংক। অন্যদিকে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে জীবনযাত্রা। রোদের তেজে ঘর থেকে বের হচ্ছে না অনেক মানুষই। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রমজান মাসে। গত শুক্রবার ও শনিবার গাজীপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল আরো বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কালিয়াকৈর এলাকার জনসাধারণ। গরমের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই দেখা গেছে ছাতা হাতে চলাফেরা করতে। নগরীর বিপনী কেন্দ্রগুলো খোলা থাকলেও তীব্র তাপমাত্রার কারনে তেমন কোন ক্রেতাদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি।রাস্তার পাশের পানীয় ও শরবতের দোকানগুলোতে অনেক মানুষের ভিড় দেখা যায়।

রোদের তেজে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। গরমের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে অনেকেই আবার একটু স্বস্তি খুঁজে নিতে গাছের ছায়াতলে কিংবা শীতল কোনো স্থানে। এছাড়া গরমে আবহাওয়া জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়ার প্রকোপ। এতে করোনাকালীন সময়ে লোকজনের দুর্ভোগ বাড়ছে।

গাজীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী মো আলমগীর হোসেন বলেন, গতকাল দিনে এবং রাতে ছিল প্রচণ্ড গরম। এটা সহ্য করার মতো না। আজকে (শনিবার) গরম আরো বেশি। গত কয়েকদিনের প্রখর রোদে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে কর্মজীবীরা।এই

এদিকে করোনা সংক্রমণের সময়ে গরমে সর্দি-কাশি নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খাইরুজ্জামান বলেন, গরমে এমনিতে সিজনাল জ্বর-সর্দি ও ডায়রিয়া হতে পারে। তাই বাইরের খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে। ঘন ঘন পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকাবিহীন শিশু

গাজীপুরে তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ নগরবাসী; বাড়ছে আবহাওয়ার জনিত রোগ

প্রকাশিত : ০৪:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

একদিকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে জনজীবনে বাড়ছে আতংক। অন্যদিকে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে জীবনযাত্রা। রোদের তেজে ঘর থেকে বের হচ্ছে না অনেক মানুষই। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রমজান মাসে। গত শুক্রবার ও শনিবার গাজীপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল আরো বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সূর্যের প্রচণ্ড উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কালিয়াকৈর এলাকার জনসাধারণ। গরমের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই দেখা গেছে ছাতা হাতে চলাফেরা করতে। নগরীর বিপনী কেন্দ্রগুলো খোলা থাকলেও তীব্র তাপমাত্রার কারনে তেমন কোন ক্রেতাদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি।রাস্তার পাশের পানীয় ও শরবতের দোকানগুলোতে অনেক মানুষের ভিড় দেখা যায়।

রোদের তেজে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। গরমের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে অনেকেই আবার একটু স্বস্তি খুঁজে নিতে গাছের ছায়াতলে কিংবা শীতল কোনো স্থানে। এছাড়া গরমে আবহাওয়া জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়ার প্রকোপ। এতে করোনাকালীন সময়ে লোকজনের দুর্ভোগ বাড়ছে।

গাজীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী মো আলমগীর হোসেন বলেন, গতকাল দিনে এবং রাতে ছিল প্রচণ্ড গরম। এটা সহ্য করার মতো না। আজকে (শনিবার) গরম আরো বেশি। গত কয়েকদিনের প্রখর রোদে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে কর্মজীবীরা।এই

এদিকে করোনা সংক্রমণের সময়ে গরমে সর্দি-কাশি নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়ছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. খাইরুজ্জামান বলেন, গরমে এমনিতে সিজনাল জ্বর-সর্দি ও ডায়রিয়া হতে পারে। তাই বাইরের খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে। ঘন ঘন পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ