০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর, সুষ্ঠু তদন্ত চায় দপ্তরির পরিবার

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে দপ্তরি রাকিব খানের পরিবার। সেই সাথে চাকরিতে পুর্ণবহালের দাবি জানানো হয়।

রবিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় লিখিত বক্তব্যে দপ্তরির চাচা মো. ফেরদৌস বলেন, গফরগাঁও উপজেলার বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি রাকিব খান ও প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানম সম্পর্কে আপন চাচাত ভাই-বোন। নিলুফা খানমকে মারধরের ঘটনা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি দাবি করেন, দপ্তরি রাকিবের বাবা আলাল উদ্দিন মারা যাওয়ার পর থেকে রাকিবের সম্পত্তিতে চোখ পড়ে নিলুফা খানমের। পরিবারের সম্পত্তির ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বিষয়টি স্থানীয়রাও অবগত রয়েছেন।

এ ঘটনার জেরে গত বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুর ১২ টার দিকে স্কুল বন্ধ করে রাকিব এবং নিলুফা বাড়িতে আসার দুই ঘন্টা পর পূর্বের জেরে রাকিব এবং নিলুফার মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এই ঘটনাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিলুফা খানম স্কুল পরিস্কার করার কথা বলায় রেগে দপ্তরি রাকিব তাকে মারপিট করেছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে দপ্তরি রাকিব খানের ভাই নাদিম খান বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিলুফা খানমের পরিকল্পনায় রাকিব ও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রাকিবকে গ্রেপ্তার এবং চাকুরী থেকে বরখাস্তও করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না করেই রাকিবকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নিলুফা খানমের বাবা হাফিজ উদ্দিন মাস্টারের গাছ তাদের (নাদিম খান) ঘরের উপরে পড়েছিল। এ ঘটনা থেকেই নিলুফা খানমের সাথে তাদের বিরোধ দেখা দেয়।

এ বিষয়ে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানমের সাথে তার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তাকে মারধর করা হয়েছে দাবি করেন। পরে লাইন কেটে দেন এবং তার নাম্বারটি বন্ধ দেখায়।

এর আগে শুক্রবার (২৮ মে) ভোর সাড়ে চারটার দিকে পাগলা থানার বারইহাটি বটতলা এলাকা থেকে দপ্তরি রাকিবকে আটক করে পুলিশ। বর্তমানে দপ্তরি রাকিব জেলহাজতে আছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকাবিহীন শিশু

প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর, সুষ্ঠু তদন্ত চায় দপ্তরির পরিবার

প্রকাশিত : ০৮:৫৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে দপ্তরি রাকিব খানের পরিবার। সেই সাথে চাকরিতে পুর্ণবহালের দাবি জানানো হয়।

রবিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় লিখিত বক্তব্যে দপ্তরির চাচা মো. ফেরদৌস বলেন, গফরগাঁও উপজেলার বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি রাকিব খান ও প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানম সম্পর্কে আপন চাচাত ভাই-বোন। নিলুফা খানমকে মারধরের ঘটনা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি দাবি করেন, দপ্তরি রাকিবের বাবা আলাল উদ্দিন মারা যাওয়ার পর থেকে রাকিবের সম্পত্তিতে চোখ পড়ে নিলুফা খানমের। পরিবারের সম্পত্তির ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বিষয়টি স্থানীয়রাও অবগত রয়েছেন।

এ ঘটনার জেরে গত বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুর ১২ টার দিকে স্কুল বন্ধ করে রাকিব এবং নিলুফা বাড়িতে আসার দুই ঘন্টা পর পূর্বের জেরে রাকিব এবং নিলুফার মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এই ঘটনাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিলুফা খানম স্কুল পরিস্কার করার কথা বলায় রেগে দপ্তরি রাকিব তাকে মারপিট করেছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে দপ্তরি রাকিব খানের ভাই নাদিম খান বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিলুফা খানমের পরিকল্পনায় রাকিব ও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রাকিবকে গ্রেপ্তার এবং চাকুরী থেকে বরখাস্তও করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না করেই রাকিবকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নিলুফা খানমের বাবা হাফিজ উদ্দিন মাস্টারের গাছ তাদের (নাদিম খান) ঘরের উপরে পড়েছিল। এ ঘটনা থেকেই নিলুফা খানমের সাথে তাদের বিরোধ দেখা দেয়।

এ বিষয়ে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানমের সাথে তার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তাকে মারধর করা হয়েছে দাবি করেন। পরে লাইন কেটে দেন এবং তার নাম্বারটি বন্ধ দেখায়।

এর আগে শুক্রবার (২৮ মে) ভোর সাড়ে চারটার দিকে পাগলা থানার বারইহাটি বটতলা এলাকা থেকে দপ্তরি রাকিবকে আটক করে পুলিশ। বর্তমানে দপ্তরি রাকিব জেলহাজতে আছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ