০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নোংরা ও লবণাক্ত পানি পানে বাধ্য হচ্ছে মানুষ

খুলনার কয়রা উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ইয়াস প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ¡াসে সাতটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম নদীর লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে করে এলাকায় খাবার পানি ও ঘর গৃহাস্থালীর কাজে ব্যবহৃত পানির উৎস নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে প্লাবিত অর্ধশতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক কে দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার বেশিরভাগ নলূক‚পের পানি পানযোগ্য হয়েছে। খাবার পানির প্রধান উৎস পুকুর ডুবে যাওয়ায় পিএসএফ থেকে পানি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এলাকার মানুষ নোংরা, লবণাক্ত ও রোগজীবাণুবাহী পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে পানি বাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ইয়াস প্রভাবে ও জোয়ারের পানির তোড়ে কয়রার মহেশ্বরীপুর, উত্তর বেদকাশী, দক্ষিণ বেদকাশী, সদর ও বাগালী ইউনিয়নের কয়েকটি বাঁধ ভেঙ্গে ৫০টির বেশী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সকল ভাঙা বাঁধের পাঁচটি পয়েন্ট গত দুইদিনে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে এলাকাবাসী মেরামত সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু অন্য ভাঙা পয়েন্টগুলো দিয়ে গ্রামগুলোতে অব্যাহতভাবে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এলাকার সবগুলো খাবার পানির উৎস্য লবণাক্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব পুকুর, জলাশয় ও পিএসএফগুলো এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যার ফলে কয়রা উপজেলার অধিকাংশ এলাকার মানুষ এখন খাবার পানির তীব্র সংকটে। কোথাও পুকুর, জলাশয় ও খাবার পানির উৎস্য সুরক্ষিত নেই। সবগুলোই লবনাক্ত ও নদীর নোংরা পানিতে ভরে গেছে। এছাড়া গত ২৫মে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা বেড়ীবাঁধ ভেঙে যাওয়া স্থানে মেরামত করা সম্পন্ন হয়েছে। জনসাধারণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে তেতুলতলার চরের ভেঙে যাওয়া বেড়ীবাঁধ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে। মহারাজপুর ইউনিয়ন মঠের কোনা ও পবনার ভাঙন মেরামত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়ার ২টি ভাঙন দিয়ে অব্যাহত পানি প্রবেশ করছে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পদ্মপুকুরের গাজী পাড়ার ভাঙন মেরামত কাজ শনিবার সম্পন্ন করে। তবে ইউনিয়নের গাঁতিরঘেরীর অর্ধ কিলোমিটারের মধ্যে কয়েকটি ভাঙন দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানির উৎস্য নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখার বড় বড় পাত্রগুলোও খালি পড়ে আছে। এই অবস্থায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার মধ্য বিলের বাসিন্দারা। তাদের আশেপাশে কোথাও শুকনা বা উঁচু জায়গা নেই। সেজন্য কেউ ভেলায় চড়ে আবার কেউ লোনাপানি ভেঙে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য দূরের গ্রামে পাড়ি জমাচ্ছেন। তারপরেও কোথাও সুপেয় খাবার পানি পাচ্ছেন না। সবখানেই পানি লবণাক্ত। মহেশ্বরীপুরের আটরা গ্রামের সাজেদা খাতুন নামের এক গৃহীনি তার শশুরের সঙ্গে ভেলায় চড়ে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য বেরিয়েছেন। তিনি জানান, গ্রামের সকল মানুষ পাশ্ববর্তী একটি পুকুরের পানি পান করতাম। জোয়ারের পানির তোড়ে সেটি ডুবে লবণপানিতে ভরে গেছে। এখন তিন মাইল দূরের কালনা সরকারি পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করতি হচ্ছে। এভাবে ভেলায় চড়ে পানি সংগ্রহ করতে তাদের একদিনের অর্ধেক সময় ব্যয় হচ্ছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদাৎ হোসেন বলেন, খাবার পানির চাইতে এখন ঘর গৃহাস্থালী ও গোসলের পানির বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে। মানুষ যে করেই হোক খাবার পানি জোগাড় করতে পারছে বা লবণ পানি খাচ্ছে। কিন্তু গোসলের পানিও পাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে লোনা পানিতেই গোসল সারতে হচ্ছে। অনেক সময় ওই পানিই আবার খেতে হচ্ছে। এসব পানি নোংরা, লবনাক্ত ও রোগজীবানুযুক্ত হলেও আমাদের প্রান বাঁচাতে সেই পানিই খেতে হচ্ছে। তিনি এলাকার মানুষের পানির চরম সংকট মেটাতে দ্রæত খাবার পানি সরবরাহের দাবী জানান। অপরদিকে, উত্তর বেদকাশীর হরিহরপুর লঞ্চঘাট ও পদ্মপুকুর গিয়ে দেখা যায় ওই এলাকায় ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়ায় অনেকেই ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়েছে। সেখানকার বাসিন্দা সঞ্জয় দাস জানান, আমার বাড়ী গাঁতীরঘেরী। নদী ভাঙ্গনে ঘর-বাড়ী ডুূবে যাওয়ায় এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু খাবার পানির পুকুর ও নলক‚প ডুবে যাওয়ায় খাবার জলের অসুবিধায় ভ‚গছি। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে শাকবাড়ীয়ায় একটি নলক‚প আছে। তবুও ০২ গ্রামের মানুষ লাইন দিয়ে হাতল চেপে চেপে জল আনতে হচ্ছে। না খেয়ে থাকা যায় কিন্তু জল তেষ্টায় বাঁচা যায় না। কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মিঠুন রায় জানান, বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই এ এলাকায় খাবার পানির সংকট রয়েছে। নলক‚প সফল না হওয়ায় বৃষ্টির পানি ও পুকুরের পানি এখানকার মানুষের একমাত্র ভরসা। তবে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় লবণ পানি উঠে গেছে। সংরক্ষিত পুকুর ও জলাশয়গুলোতেও লবণ পানিতে ভরে গেছে। সে কারনে উপজেলায় পানি সংকট সমস্যা আরো প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের পক্ষ থেকে পানি সংকট মোচনে দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু জানান, এলাকাবাসীর দুর্দশা লাঘবে ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো জাইকা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা এবং খাবার পানির সংকট মেটাতে দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকাবিহীন শিশু

নোংরা ও লবণাক্ত পানি পানে বাধ্য হচ্ছে মানুষ

প্রকাশিত : ০৬:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

খুলনার কয়রা উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ইয়াস প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ¡াসে সাতটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম নদীর লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে করে এলাকায় খাবার পানি ও ঘর গৃহাস্থালীর কাজে ব্যবহৃত পানির উৎস নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে প্লাবিত অর্ধশতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক কে দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার বেশিরভাগ নলূক‚পের পানি পানযোগ্য হয়েছে। খাবার পানির প্রধান উৎস পুকুর ডুবে যাওয়ায় পিএসএফ থেকে পানি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এলাকার মানুষ নোংরা, লবণাক্ত ও রোগজীবাণুবাহী পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে পানি বাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ইয়াস প্রভাবে ও জোয়ারের পানির তোড়ে কয়রার মহেশ্বরীপুর, উত্তর বেদকাশী, দক্ষিণ বেদকাশী, সদর ও বাগালী ইউনিয়নের কয়েকটি বাঁধ ভেঙ্গে ৫০টির বেশী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সকল ভাঙা বাঁধের পাঁচটি পয়েন্ট গত দুইদিনে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে এলাকাবাসী মেরামত সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু অন্য ভাঙা পয়েন্টগুলো দিয়ে গ্রামগুলোতে অব্যাহতভাবে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এলাকার সবগুলো খাবার পানির উৎস্য লবণাক্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব পুকুর, জলাশয় ও পিএসএফগুলো এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যার ফলে কয়রা উপজেলার অধিকাংশ এলাকার মানুষ এখন খাবার পানির তীব্র সংকটে। কোথাও পুকুর, জলাশয় ও খাবার পানির উৎস্য সুরক্ষিত নেই। সবগুলোই লবনাক্ত ও নদীর নোংরা পানিতে ভরে গেছে। এছাড়া গত ২৫মে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা বেড়ীবাঁধ ভেঙে যাওয়া স্থানে মেরামত করা সম্পন্ন হয়েছে। জনসাধারণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে তেতুলতলার চরের ভেঙে যাওয়া বেড়ীবাঁধ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে। মহারাজপুর ইউনিয়ন মঠের কোনা ও পবনার ভাঙন মেরামত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়ার ২টি ভাঙন দিয়ে অব্যাহত পানি প্রবেশ করছে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পদ্মপুকুরের গাজী পাড়ার ভাঙন মেরামত কাজ শনিবার সম্পন্ন করে। তবে ইউনিয়নের গাঁতিরঘেরীর অর্ধ কিলোমিটারের মধ্যে কয়েকটি ভাঙন দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানির উৎস্য নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখার বড় বড় পাত্রগুলোও খালি পড়ে আছে। এই অবস্থায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার মধ্য বিলের বাসিন্দারা। তাদের আশেপাশে কোথাও শুকনা বা উঁচু জায়গা নেই। সেজন্য কেউ ভেলায় চড়ে আবার কেউ লোনাপানি ভেঙে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য দূরের গ্রামে পাড়ি জমাচ্ছেন। তারপরেও কোথাও সুপেয় খাবার পানি পাচ্ছেন না। সবখানেই পানি লবণাক্ত। মহেশ্বরীপুরের আটরা গ্রামের সাজেদা খাতুন নামের এক গৃহীনি তার শশুরের সঙ্গে ভেলায় চড়ে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য বেরিয়েছেন। তিনি জানান, গ্রামের সকল মানুষ পাশ্ববর্তী একটি পুকুরের পানি পান করতাম। জোয়ারের পানির তোড়ে সেটি ডুবে লবণপানিতে ভরে গেছে। এখন তিন মাইল দূরের কালনা সরকারি পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করতি হচ্ছে। এভাবে ভেলায় চড়ে পানি সংগ্রহ করতে তাদের একদিনের অর্ধেক সময় ব্যয় হচ্ছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদাৎ হোসেন বলেন, খাবার পানির চাইতে এখন ঘর গৃহাস্থালী ও গোসলের পানির বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে। মানুষ যে করেই হোক খাবার পানি জোগাড় করতে পারছে বা লবণ পানি খাচ্ছে। কিন্তু গোসলের পানিও পাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে লোনা পানিতেই গোসল সারতে হচ্ছে। অনেক সময় ওই পানিই আবার খেতে হচ্ছে। এসব পানি নোংরা, লবনাক্ত ও রোগজীবানুযুক্ত হলেও আমাদের প্রান বাঁচাতে সেই পানিই খেতে হচ্ছে। তিনি এলাকার মানুষের পানির চরম সংকট মেটাতে দ্রæত খাবার পানি সরবরাহের দাবী জানান। অপরদিকে, উত্তর বেদকাশীর হরিহরপুর লঞ্চঘাট ও পদ্মপুকুর গিয়ে দেখা যায় ওই এলাকায় ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়ায় অনেকেই ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়েছে। সেখানকার বাসিন্দা সঞ্জয় দাস জানান, আমার বাড়ী গাঁতীরঘেরী। নদী ভাঙ্গনে ঘর-বাড়ী ডুূবে যাওয়ায় এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু খাবার পানির পুকুর ও নলক‚প ডুবে যাওয়ায় খাবার জলের অসুবিধায় ভ‚গছি। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে শাকবাড়ীয়ায় একটি নলক‚প আছে। তবুও ০২ গ্রামের মানুষ লাইন দিয়ে হাতল চেপে চেপে জল আনতে হচ্ছে। না খেয়ে থাকা যায় কিন্তু জল তেষ্টায় বাঁচা যায় না। কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মিঠুন রায় জানান, বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই এ এলাকায় খাবার পানির সংকট রয়েছে। নলক‚প সফল না হওয়ায় বৃষ্টির পানি ও পুকুরের পানি এখানকার মানুষের একমাত্র ভরসা। তবে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় লবণ পানি উঠে গেছে। সংরক্ষিত পুকুর ও জলাশয়গুলোতেও লবণ পানিতে ভরে গেছে। সে কারনে উপজেলায় পানি সংকট সমস্যা আরো প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের পক্ষ থেকে পানি সংকট মোচনে দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু জানান, এলাকাবাসীর দুর্দশা লাঘবে ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো জাইকা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা এবং খাবার পানির সংকট মেটাতে দ্রæত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর