১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চাটমোহরে বোরো ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক, মিলছে না শ্রমিক

ধান কাটার ভরা মৌসুমে আকাশে মেঘের আনাগোনা। হঠাৎ বৃষ্টি নামছে। ঝড় আর শিলাবৃষ্টির আশংকা। শ্রমিক না মেলায় বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এ কারণে অতিরিক্ত মজুরী দিয়ে কৃষি শ্রমিক সংগ্রহে নেমেছে কৃষক। পাবনার চাটমোহর উপজেলাসহ চলনবিল অঞ্চলে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটা। উঠানো উঠনো চলছে মাড়াই উৎসব। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছে কৃষক। তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়েও শ্রমিক পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, চাটমোহর উপজেলার ডিকসির বিল, বিলকুড়ালিয়া, হান্ডিয়াল, ছাইকোলা ও নিমাইচড়াসহ বিভিন্ন বিলে ধান কাটছে কৃষকরা। অলিপুর গ্রামের কৃষক নায়েব আলী জানায়, চলতি মৌসুমের শেষের দিকে বৃষ্টি ও ঝড়ে কবলে পড়তে হয়েছে কৃষকদের। ধান ও খড় নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে সপ্তাহ খানেক আবহাওয়া ভালো থাকলে ধান কেটে কৃষক গোলায় তুলতে পারবেন।

আমিরুল ইসলাম, রুবেল হোসেনসহ কয়েকজন কৃষক জানায়, ধান কাটা শ্রমিকের কদরও বেড়েছে। সময় ও সুযোগ বুঝে অন্য পেশার শ্রমিকেরা এখন ধান কাটার কাজে লেগেছে। বর্তমানে ধানকাটা শ্রমিকের মজুরী ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা।
তাছাড়া চুক্তিভিত্তিক ধান কাটতে প্রতি কাঠায় ১০ কেজি করে ধান নেওয়া হচ্ছে। অনেক এলাকায় আবার দু’বেলা খাবার ও মজুরী দিয়ে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। চাষীরা জানান, ধান কাটার পর রোদ না থাকায় ধান ও খড় শুকানো যাচ্ছে না। এদিকে ধান আবাদ করে কৃষক লোকসানে পড়েছেন।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ জানায়, চলতি বছরে ৯ হাজার ৬’শ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বোরো ধানের চাষ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল ৯ হাজার ৬’শ ৫০ হেক্টর জমিতে। ফলনও ভালো হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাটমোহরে বোরো ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক, মিলছে না শ্রমিক

প্রকাশিত : ০৬:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

ধান কাটার ভরা মৌসুমে আকাশে মেঘের আনাগোনা। হঠাৎ বৃষ্টি নামছে। ঝড় আর শিলাবৃষ্টির আশংকা। শ্রমিক না মেলায় বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এ কারণে অতিরিক্ত মজুরী দিয়ে কৃষি শ্রমিক সংগ্রহে নেমেছে কৃষক। পাবনার চাটমোহর উপজেলাসহ চলনবিল অঞ্চলে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটা। উঠানো উঠনো চলছে মাড়াই উৎসব। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছে কৃষক। তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়েও শ্রমিক পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, চাটমোহর উপজেলার ডিকসির বিল, বিলকুড়ালিয়া, হান্ডিয়াল, ছাইকোলা ও নিমাইচড়াসহ বিভিন্ন বিলে ধান কাটছে কৃষকরা। অলিপুর গ্রামের কৃষক নায়েব আলী জানায়, চলতি মৌসুমের শেষের দিকে বৃষ্টি ও ঝড়ে কবলে পড়তে হয়েছে কৃষকদের। ধান ও খড় নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে সপ্তাহ খানেক আবহাওয়া ভালো থাকলে ধান কেটে কৃষক গোলায় তুলতে পারবেন।

আমিরুল ইসলাম, রুবেল হোসেনসহ কয়েকজন কৃষক জানায়, ধান কাটা শ্রমিকের কদরও বেড়েছে। সময় ও সুযোগ বুঝে অন্য পেশার শ্রমিকেরা এখন ধান কাটার কাজে লেগেছে। বর্তমানে ধানকাটা শ্রমিকের মজুরী ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা।
তাছাড়া চুক্তিভিত্তিক ধান কাটতে প্রতি কাঠায় ১০ কেজি করে ধান নেওয়া হচ্ছে। অনেক এলাকায় আবার দু’বেলা খাবার ও মজুরী দিয়ে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। চাষীরা জানান, ধান কাটার পর রোদ না থাকায় ধান ও খড় শুকানো যাচ্ছে না। এদিকে ধান আবাদ করে কৃষক লোকসানে পড়েছেন।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ জানায়, চলতি বছরে ৯ হাজার ৬’শ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বোরো ধানের চাষ হয়েছে। গত বছর চাষ হয়েছিল ৯ হাজার ৬’শ ৫০ হেক্টর জমিতে। ফলনও ভালো হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর