১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

লকডাউনে বিবাহত্তোর অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা

আজ থেকে বর্ধিত লকডাউনে নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান ‘লকডাউনে’ জনসমাবেশ এড়াতে বিবাহত্তোর অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। আজ চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। এর আগে রবিবার (৬ জুন) মধ্যরাত পর্যন্ত ‘লকডাউন’ বাড়ানো হয়েছিল। তবে, দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় পুরোপুরি বা আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

লকডাউনে বিবাহত্তোর অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত : ০৯:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুন ২০২১

আজ থেকে বর্ধিত লকডাউনে নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান ‘লকডাউনে’ জনসমাবেশ এড়াতে বিবাহত্তোর অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। আজ চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। এর আগে রবিবার (৬ জুন) মধ্যরাত পর্যন্ত ‘লকডাউন’ বাড়ানো হয়েছিল। তবে, দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় পুরোপুরি বা আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর