০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

গোপালপুরে বৈরাণ নদীর সেতু ভেঙ্গে পানিতে

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরাণ নদীর সেতু ভেঙ্গে পানিতে পড়ে গেছে। শুক্রবার সকালে পৌরশহরের কালিমন্দির সংলগ্ন কোনাবাড়ী হাটে প্রবেশ মুখের সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। পারাপারের জন্য নদীর উপর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করায় জনগণের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

জানা যায়, ১৯৯২ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজে অপরিকল্পিত ও নিন্মমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে তিন বছরের মাথায় দুটি পিলার আগলা হয়ে যায়। পরে আরো দু’টি পিলারের একই অবস্থা হয়। রেলিং ভেঙ্গে পড়ায় বাঁশ দিয়ে রেলিং তৈরী করা হয়। সেতুর পিলারে কয়েক জায়গায় ফেটে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এটিকে কয়েক বছর আগেই বিপজ্জনক ঘোষণা করেন। সংস্কারের অভাবে সেতুটি অচলাবস্থায় পড়লেও প্রতিদিন এর উপর দিয়ে মানুষসহ যানবাহন পারাপার করে আসছিল। অতিরিক্ত চাপের ফলে এটি ভেঙ্গে নদীতে পড়ায় নগদাশিমলা ও হাদিরা ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তাদেরকে প্রায় এক কিলোমিটার ঘুরে থানাব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানান।

পৌরমেয়র রকিবুল হক ছানা বলেন, এটি পুরোনো একটি ফুটব্রীজ ছিল। পাইলিং ছাড়া নির্মাণ করায় অতিবৃষ্টির কারণে সকালে এটি ভেঙ্গে পড়েছে। পৌরসভায় তেইশ কোটি টাকার একটি বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে শুস্ক মৌসুমে এখানে বড় একটি সেতু নির্মাণ করা হবে। এখন চলাচলের জন্য বড় আকারে একটি বাঁশের সেতু তৈরি করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

গোপালপুরে বৈরাণ নদীর সেতু ভেঙ্গে পানিতে

প্রকাশিত : ০৫:১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরাণ নদীর সেতু ভেঙ্গে পানিতে পড়ে গেছে। শুক্রবার সকালে পৌরশহরের কালিমন্দির সংলগ্ন কোনাবাড়ী হাটে প্রবেশ মুখের সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। পারাপারের জন্য নদীর উপর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করায় জনগণের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

জানা যায়, ১৯৯২ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজে অপরিকল্পিত ও নিন্মমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে তিন বছরের মাথায় দুটি পিলার আগলা হয়ে যায়। পরে আরো দু’টি পিলারের একই অবস্থা হয়। রেলিং ভেঙ্গে পড়ায় বাঁশ দিয়ে রেলিং তৈরী করা হয়। সেতুর পিলারে কয়েক জায়গায় ফেটে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এটিকে কয়েক বছর আগেই বিপজ্জনক ঘোষণা করেন। সংস্কারের অভাবে সেতুটি অচলাবস্থায় পড়লেও প্রতিদিন এর উপর দিয়ে মানুষসহ যানবাহন পারাপার করে আসছিল। অতিরিক্ত চাপের ফলে এটি ভেঙ্গে নদীতে পড়ায় নগদাশিমলা ও হাদিরা ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তাদেরকে প্রায় এক কিলোমিটার ঘুরে থানাব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানান।

পৌরমেয়র রকিবুল হক ছানা বলেন, এটি পুরোনো একটি ফুটব্রীজ ছিল। পাইলিং ছাড়া নির্মাণ করায় অতিবৃষ্টির কারণে সকালে এটি ভেঙ্গে পড়েছে। পৌরসভায় তেইশ কোটি টাকার একটি বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে শুস্ক মৌসুমে এখানে বড় একটি সেতু নির্মাণ করা হবে। এখন চলাচলের জন্য বড় আকারে একটি বাঁশের সেতু তৈরি করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর