করোনা সংক্রমণ কমাতে রংপুরে লকডাউনের চতুর্থ দিনে ও কঠোর অবস্থানে ছিলো পুলিশ প্রশাসন। গত তিনদিনের চেয়ে সোমবার তুলনামূলকভাবে নগরীর সড়কে রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। তবে সড়কে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশি ছিল আগের মতোই। প্রয়োজন ছাড়া সড়কে কেউ বের হলেই সেনাবাহিনী ও বিজিবিসহ পুলিশি জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। বিনা প্রয়োজনে কেউ বের হলে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। সরকারি বিধিনিষেধ ভঙ্গ করায় সকাল থেকে নাম্বার বিহীন দুই শতাধিক অটোরিক্সাসহ শতাধিক মোটরসাইকেলের নামে মামলা পথচারীকে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানাও করতে দেখা গেছে।
এদিকে, রংপুর মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ ২০টি পয়েন্ট ছাড়াও জেলা-উপজেলার প্রবেশপথে বসানো হয়েছে পুলিশি চেকপোস্ট। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর মডার্ন অর্জন মোড়, শাপলা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, ডিসির মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার বাহিনী মাঠে কাজ করছে। তবে পরিবহন সেবা পেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষজনকে। বাড়তি ভাড়ার আশায় গ্রামগঞ্জের রিকশা, অটোরিকশা এখন রংপুর নগরমুখি হচ্ছে। এতে পুরো নগরীতে রিকশার দৌরত্ম্য বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে অতিরিক্ত ভাড়া চাপ।
রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা রয়েছে। আঞ্চলিক সড়কগুলোতে নেই পরিবহনের চাপ। তবে পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ ভ্যানসহ হালকা যানবাহন চলাচল করছে। লকডাউনকে বিধি নিষেধ তদারকি করছেন রংপুর জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা নগরীজুড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় প্রায় দুই শতাধিক পথচারীকে জরিমানা করেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারি উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক আহমেদ বলেন, জরুরি প্রয়োজনে কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করছে। অহেতুক ঘোরাঘুরি বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় চেক পোষ্ট বসিয়েছি। মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















