পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক কৃষকের গ্রীন হাউস এবং মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে এলাকায় সারা জাগিয়েছেন। এই সফল কৃষকের নাম জাকির হোসেন। কৃষকের বাড়ি উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সবজি খ্যাত কুমিরমারা গ্রামে। সফল সবজি চাষী জাকির সবজি চাষ করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন এনেছে। মিলেছে অর্থনৈতিক মুক্তি। জাকিরের স্বপ্ন এলাকার বেকার যুবকদের কর্মমুখী করতে তাদেরকেও সবজি চাষে আগ্রহী করে তোলা। জাকিরের মতে, লেখাপড়া করে চাকরীর জন্য না ঘুরে নিজের কর্ম নিজে করে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি বেকারত্ব দূর করা। তার চিন্তাধারা সমাজের বেকার যুবসমাজকে কৃষির আওতায় অর্ন্তভূুক্ত করা। সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
সফল এই সবজ্বি চাষীর রয়েছে সবজি চাষের নানা অভিজ্ঞতা। সবজ্বি চাষ করে সফল হতে জাকিরের দেখানো গ্রীন হাউস ও মালচিং পদ্ধতির সবজ্বি চাষে সফলতা দেখে আশেপাশের চাষিরা আগ্রহী হচ্ছে সবজ্বি চাষে। স্বপ্ন চাষ নিয়ে রয়েছে জাকিরের নানাবিধ স্বপ্ন। কিভাবে আরও উন্নত পদ্ধতিতে সবজ্বির চাষ করা যায় এনিয়ে যেন তার ভাবনার শেষ নেই।
শুধু জাকিরই নয় গ্রীন হাউস ও মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে এখানকার কৃষকরা। দেশ বিদেশী বিভিন্ন উন্নতশীল বীজ সংগ্রহ করে এলাকায় মালচিং পদ্ধতিতে রোপন করে সফলতার ছোয়া পেয়েছেন কৃষকরা।
জাকিরের সফলতা দেখে কুমিরমারা গ্রামের বেশ কিছু কৃষক মালচিং পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করেন। চলতি মৌসুমে সবজি ক্ষেতে মালচিং পদ্ধতিতে লাউ,শসা,করোলা,বোম্বে মরিচ,পেপে, কাঁচা মরিচ,লাফা, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, টমেটো সহ নানা প্রজাতীর সবজি চাষ করেছেন জাকির হোসেনসহ অনেক কৃষক। বর্ষা মৌসুমে বাহারি রঙের তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন জাকির। জাকিরের তরমুচ চাষে সফলতা দেখে স্থানীয় কৃষকরা এই বর্ষা মৌসুমে বাহারি রঙের তরমুজ মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সবজি চাষী জাকির জানান, আমি এক সময় রাজমিস্ত্রী ছিলাম। সেখান থেকে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে কৃষি কাজ করি। এবছর আমি ৬ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষে পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ করি। এই এলাকায় আধুনিক কৃষি আমি সৃষ্টি করি এবং স্থানীয় কৃষকদের আধুনিক ভাবে কৃষিকাজ করার জন্য উৎসাহ দেই। কোন প্রকার প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে অনেক ভাল ফসলের আশা করি। স্থানীয় সবজি চাষি মোঃ ওমর ফারুক জানান, আমাদের কৃষি পন্য কলাপাড়া উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হয় তাই বাজার জাত করার জন্য যাতায়াত ব্যাবস্থা ভালো না থাকার কারনে সবজির ন্যায্যো মূল্য পাইনা, সরকারি ভাবে আমরা আর্থীক সহযোগিতা পেলে আরও ব্যাপক হারে সবজি চাষ করতে পারবো।
এব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ্ জানান, শুধু কুমিরমারা নয়, কলাপাড়া উপজেলার সকল ইউনিয়নে আমরা কৃকদের আধুনিক ট্রেনিং দিয়ে সবজি চাষে উদ্ভুদ্ধ করবো।






















