মুরাদপুর আর্মি ক্যাম্পে আগুন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রচারের অভিযোগে সিলেট জেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। এর মধ্যে গোলাপগঞ্জ উপজেলার চার জন অন্য তিনজন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, এয়ারপোর্ট ও শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন এলাকার বাসিন্দা।
গত রোববার সন্ধ্যায় নিজেদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-৯ এর এএসপি ও মিডিয়া অফিসার সামেন মজুমদার। তিনি আরোও বলেন, গ্রেপ্তারের পর তার গুজব ছড়ানোর দায় স্বীকারও করেছেন।
জানা যায়, গত ২২ জুলাই মধ্যরাতে সিলেটের আকাশে আগুনে শিখা দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এটি কোনো অগ্নিকান্ড নয়, সিলেটের লাক্কাতুরা এলাকায় শেভরনের নিয়ন্ত্রাধিন গ্যাসক্ষেত্রে সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। তাই গ্যাসকূপের অতিরিক্ত ফায়ার ফ্লো হচ্ছে।
তবে ওইরাতে ফেসবুকে অনেকেই প্রচার করেন, সিলেট সেনানিবাসের বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। ভয়াবহ এই আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মিথ্যে এই প্রচারণায় এতে নগরী ও আশপাশের এলাকায় আতংক দেখা দেয়।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে গোলাপগঞ্জের বাঘার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে আশফাকুর রহমান (৩২), শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন পীরের চক এলাকার মৃত উস্তার আলীর ছেলে আলা উদ্দিন আলাল (৪৭), গোলাপগঞ্জের মজিদপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে রেজা হোসাইন (২০), গোলাপগঞ্জের আওই বানীগ্রামের মোবারক আলীর ছেলে সোহেল আহমদ, গোলাপগঞ্জের বাঘীরঘাট গ্রামের মৃত আশাব আলীর ছেলে আবুল কাশেম (৩৫), কুচাই পশ্চিমবাগ গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে রাজন আহমদ (২৮), শহরতলীর এয়ারপোর্ট থানাধীন আটপিয়ারি গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে মোক্তার হোসেন মান্না (২৮)।






















