১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রাম করোনার থাবায় দিশেহারা

করোনার থাবায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নামে ছোট্ট একটি গ্রাম দিশেহারা হয়ে পড়েছে । এই গ্রামে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস। ছোট এই গ্রামে শুধুই আতঙ্কের ছাপ। গত এক মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ মানুষের মাঝে করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। সব বাড়িতে একজন দুইজন করে করোনায় ভুগছেন বলে জানান ইউপি সদস্য খাজা মইনুদ্দিন। সাধারণ মানুষের চোখে মুখে এখন আতঙ্কের ছাপ। জানা যায় গ্রামের একমাত্র পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাকও করোণায় আক্রান্ত।

তিনি বলেন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ করোনার উপসর্গে ভুগছেন। সবাই ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত। আজ আমি কয়েকদিন ধরে করোনা পজিটিভ হয়েছি । গত মাসের ২৩ শে জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান লক্ষীপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক। এরপর পর্যায়ক্রমে অনেকেই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। ইউপি সদস্য খাজা মইনুদ্দিন বলেন চোখের সামনে একের পর এক মানুষ মারা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গত ২৩ শে জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন প্রায় ১২ জন মানুষ। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষের মাঝে করোনার উপসর্গ রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রথমবারের মতো প্রভাব র‍্যাঙ্কিং স্থান পেল ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ছোট্ট একটি গ্রাম করোনার থাবায় দিশেহারা

প্রকাশিত : ০৫:১৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

করোনার থাবায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নামে ছোট্ট একটি গ্রাম দিশেহারা হয়ে পড়েছে । এই গ্রামে প্রায় ৪ হাজার মানুষের বসবাস। ছোট এই গ্রামে শুধুই আতঙ্কের ছাপ। গত এক মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ মানুষের মাঝে করোনার উপসর্গ দেখা দিয়েছে। সব বাড়িতে একজন দুইজন করে করোনায় ভুগছেন বলে জানান ইউপি সদস্য খাজা মইনুদ্দিন। সাধারণ মানুষের চোখে মুখে এখন আতঙ্কের ছাপ। জানা যায় গ্রামের একমাত্র পল্লী চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাকও করোণায় আক্রান্ত।

তিনি বলেন গ্রামের অধিকাংশ মানুষ করোনার উপসর্গে ভুগছেন। সবাই ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত। আজ আমি কয়েকদিন ধরে করোনা পজিটিভ হয়েছি । গত মাসের ২৩ শে জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান লক্ষীপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক। এরপর পর্যায়ক্রমে অনেকেই করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে। ইউপি সদস্য খাজা মইনুদ্দিন বলেন চোখের সামনে একের পর এক মানুষ মারা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গত ২৩ শে জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন প্রায় ১২ জন মানুষ। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষের মাঝে করোনার উপসর্গ রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ