ঢাকা সন্ধ্যা ৬:৫২, মঙ্গলবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দেবীদ্বারে শিঘ্রই চালু হচ্ছে ৩০ বেডের করোনা ইউনিট

কুমিল্লার দেবীদ্বারে শিঘ্রই ৩০বেডের করোনা ইউনিট চালু হচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে দেবীদ্বারের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে যেয়ে কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ওই করোনা ইউনিট চালু করার বিষয়টি ‘দৈনিক কালের কন্ঠ’কে নিশ্চিত করেছেন।
ইতিমধ্যে দেবীদ্বার সরকারী হাসপাতাল সংলগ্ন সাবেক যুগ্ম- সচিব মাহববুররহমান’র ‘মাহবুব প্লাজা’য় প্রতিষ্ঠিত ‘আল ইসলাম হাসপাতাল’টি অন্যত্র স্থানান্তরিত হওয়ায় ওই ভবনটি খালি পড়ে আছে। ওই ভবনটিকে করোনা ইউনিট হিসেবে চালু করার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল বলেন, ইতিমধ্যে ভবন মালিকের সাথে কথা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও ভবনটি পরিদর্শন করেছেন। করোনা বিশেষজ্ঞও আমাদের আছে, কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সসহ জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। তাছাড়া ৩টি অক্সিজেন কোম্পানীর সাথে কথা বলেছি। উন্নতমানের অক্সিজেন সিলিন্ডার খুঁজছি। অক্সিজেন সিলিন্ডার এর ব্যবস্থা হলেই করোনা ইউনিট চালু করে দেব।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহমেদ কবির জানান, করোনা প্রভাব বৃদ্ধির শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩তলা ভবনটি ৫বেডের করোনা ইউনিট হিসেবে চালু করেছি। চলমান বৈশি^ক করোনা মাহামারীতে করোনার আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই করোনা ইউনিটটিকে ১০ বেডে উন্নীত করেছি। তাতেও সংকোলান হচ্ছেনা। প্রতিদিনই বেশ কিছু মূমূর্ষ রোগীকে কুমিল্লা বা ঢাকায় স্থানান্তরিত করতে হচ্ছে। অধিকাংশ রোগিদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয় অবগত হওয়ার পর পাশর্^বর্তী একটি প্রাইভেট হাসপাতাল অন্যত্র স্থানান্তরিত হওয়ায় ওই ভবনটি এখন খালি পড়ে আছে। সংসদ সদস্য মহোদয় ওই ভবনটিতে আলাদা একটি করোনা ইউনিট চালু করার চেষ্টা করছেন। ভবনটিতে ২০থেকে ৩০বেডের করোনা ইউনিট করা যাবে। আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমি সহ ২২জন ও ৫টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৫জন সহ ২৭জন চিকিৎসক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৯জন ডেপুটেশনে, ৬টি পদ শুণ্য এবং ১টি পদের চিকিৎসক মাতৃকালীন ছুটিতে আছেন। বাকী ১১জন এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কয়েকজন চিকিৎসক নিয়ে করোনা রোগী সহ সাধারন রোগীদের সেবা দিয়ে আসছি। এ মূহুর্তে আরো একটি করোনা ইউনিট বাড়ালে চিকিৎসক, জনবল ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ কিছু ইনুষ্টলম্যান্টের প্রয়োজন হবে।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান বলেন, করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই আমরা একটি ভবনে ২– ৩০ বেডের একটি নতুন করোনা ইউনিট চালু করার পরিকল্পনা করছি। এবিষয়ে এমপি মহোদয়, ডিসি স্যার ও সিভিল সার্জন’র সাথে কথা বলেছি, খুব শীঘ্যই চালু করার চেষ্টা করবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

এ বিভাগের আরও সংবাদ