১২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে চাঁদমারী বস্তি উচ্ছেদ, ১৪০ কোটি টাকার জায়গা দখলমুক্ত

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো মাদকের স্পট, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান হবে না। কেউ মাদক নিয়ে কোনো ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনিই সচেতন হউন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাঁদমারী বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ করে সাংবাদিকের একথা জানান তিনি।
এসপি বলেন, এই চাঁদমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার, সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মত ঘটনাও এখানে ঘটে।

মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২শ শতাংশ জমি এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে।
জানা যায়, এই ২শ শতাংশ জমির দাম প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই জমিটি প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন দখলে রেখে এখানে মাদক বিক্রেতাদের ভাড়া দিতে তাদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা করাতেন। এখন এটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

নারায়ণগঞ্জে চাঁদমারী বস্তি উচ্ছেদ, ১৪০ কোটি টাকার জায়গা দখলমুক্ত

প্রকাশিত : ০৭:০০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো মাদকের স্পট, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান হবে না। কেউ মাদক নিয়ে কোনো ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনিই সচেতন হউন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাঁদমারী বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ করে সাংবাদিকের একথা জানান তিনি।
এসপি বলেন, এই চাঁদমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার, সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মত ঘটনাও এখানে ঘটে।

মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২শ শতাংশ জমি এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে।
জানা যায়, এই ২শ শতাংশ জমির দাম প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই জমিটি প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন দখলে রেখে এখানে মাদক বিক্রেতাদের ভাড়া দিতে তাদেরকে দিয়ে মাদক ব্যবসা করাতেন। এখন এটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ