সোনালী আঁশে ভরপুর, ভালবাসি ফরিদপুর। সেই স্বপ্ন বুকে নিয়ে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পাট চাষীরা পাটের আবাদ করেছিলেন। কিন্তু হটাৎ করেই পাটের দরপতনের কারনে হতাশায় ভুগছেন স্থানীয় পাট চাষীরা। চলতি বছরে পাটের উৎপাদন খরজ উঠাতে পারবেন কিনা তা নিয়ে আছেন দুশ্চিন্তায়। সদরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মোট ৬ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করেছেন কৃষকরা। যা গত বছরের চেয়ে ৫০০ হেক্টর বেসি। আমাদের প্রতিনিধি শিমুল তালুকদার জানান, এবারে সময় মত সার বিজ প্রয়োগ, এবং আবোহাওয়া অনুকুলে থাকার কারনে চলতি বছর সদরপুরে পাটের বাম্পার ফলন হলেও মূল্য কম হওয়ার কারনে স্থানীয় কৃষকের মুখের হাসি বিলিন হতে চলেছে।
স্থানীয় কৃষক সায়াদ সর্দার জানান প্রতি বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করতে মোট খরজ হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘায় পাট উৎপাদন হয় ১১ থেকে ১২ মন। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি মন ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে পানি স্বল্পতার কারনে পাট জাগ দিতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান অনেক কৃষক। তাছাড়া স্থানীয় বাজার গুলোতে সিন্টিগেটের কারনে পাটের ন্যায্য মুল্য পাচ্ছেন না বলেও জানান অনেকে।
এছাড়াও পাট কাটার পরে ঐ জমিতে আমন ধানের আবাদ করতে তারাহুরা করে পাট কেটে জমি খালি করে আমন ধানের জমি তৈরী করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। দিন দিন পাটের মূল্য কমে যাওয়ার কারনে অনেকের পাট পরিপক্ষ না হলেও কাটতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কৃষক । সরকারি ভাবে পাটের মূল্য নির্ধারণ করলেও স্থানীয় সিন্টগেটের কারনে কৃষকরা সেই মূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। তাই কৃষকরা যাতে করে পাটের ন্যায্য মুল্য পান তার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরদারির প্রয়োজন বলে জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় পাট চাষীরা।






















