কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার সুন্দলপুর মডেল ইউনিয়নের চরগোয়ালী খন্দকার নাজির উদ্দিন বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ বুলবুলের বাড়ী থেকে প্রায় ১২ কেজি ওজনের কষ্ঠি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে সোমবার রাতে বড়গোয়ালী গ্রামে। শিক্ষক আবু ইউসুফ বুলবুল বড়গোয়ালী গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মুন্সীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সুন্দলপুর মডেল ইউনিয়নের চরগোয়ালী গ্রামের খন্দকার নাজির উদ্দিন বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ বুলবুল দীর্ঘ ১ মাস পূর্বে বাড়ীর পাশের যৌথ মালিকানাধীন পুকুরে ড্রেজারের মাধ্যমে কবরস্থানে মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় একটি কষ্ঠি পাথরের বিষ্ণূ মূর্তি পায় ওই স্কুল শিক্ষক। পরে কষ্ঠি পাথরের বিষ্ণু মূর্তিটি দীর্ঘ ১ মাস যাবত ওই স্কুল শিক্ষকের বাড়িতে রেখে দেন। তিনি বলেন, করোনা মহামারী ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি এতদিন প্রশাসনকে জানাতে পারেনি।
এই বিষয়ে দাউদকান্দি সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি মোঃ জুয়েল রানা বলেন, প্রাচীন এই মূর্তিটি আমাদের দেশের প্রত্নসম্পদ। বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে এখন এটি দাউদকান্দি থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রশাসন মারফত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এর গুনাগুণ পর্যবেক্ষন ও ইতিহাস উদঘাটন করে তারা রক্ষণাবেক্ষণ সহ পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
দাউদকান্দি মডেল থানার এস,আই এমদাদ হোসেন জানান, এলাকারবাসীর মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর সোমবার (২ আগস্ট) রাত ১০ টায় পুলিশের ফোর্স নিয়ে মূর্তিটি থানায় নিয়ে আসি। মূর্তিটির ওজন প্রায় ১২ কেজি হবে, যার বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা হবে বলে জানা গেছে। দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসী মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার রাতেই মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। দৈর্ঘ্য ২৩ এবং প্রস্থ সাড়ে ৯ ইঞ্চির মূর্তিটি কেউ বলছে বিষ্ণু মূর্তি কেউ বলছে কষ্টি পাথরের। এক্সপার্ট দিয়ে যাচাই করার পর কোনটি সঠিক বলা যাবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ






















