আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু এমপি, একজন ক্যারিশম্যাটিক রাজনীতিবিদ তিনি ২৩ শে মার্চ ১৯৬৬ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা ১১ থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য। তিনি বিএসসি অনার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস এবং এলএলবি পাস করেন।
কাজিম উদ্দিনের পিতা কিংবদন্তী, আফসার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ও কমান্ডার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর মরহুম আফসার উদ্দিন আহম্মেদ
তিনি ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
কাজিম উদ্দিনের মা আলহাজ্ব খায়রুন নেছা আফসারও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন যা বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে কাজিম উদ্দিন রাজনীতিতে আসেন।
একজন উজ্জ্বল অর্জনকারী হিসেবে, তিনি প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলা ছাত্রলীগের আহŸায়ক হন।
তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পরবর্তীতে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তিনি মল্লিকবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
তার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার সাথে তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতিও নির্বাচিত হন।
যদিও, তিনি সিঁড়ির প্রতিটি ধাপে সফলভাবে আরোহণ করেছিলেন, তবুও তিনি কখনোই তাদের ভুলে যাননি যারা তাকে সফল হতে সাহায্য করেছিল। তিনি ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতে জনগণের পাশেই থাকবেন।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই-বাছাই শেষে কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনুকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রদান করেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভালুকার ময়মনসিংহ-১১ থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি তার বিজয়ের কৃতিত্ব ভালুকার মানুষকে উপহার দিয়েছিলেন।
জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সময় থেকেই তিনি ভালুকার মানুষকে ভালোবাসা এবং উন্নয়ন দুটোই নিশ্চিত করেছেন।
তার নেতৃত্বের দক্ষতার শক্তি দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ গুলো নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। বর্ষা মৌসুমে খাল এবং জলাশয়ের উপর সেতু নির্মাণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যাতে কষ্ট না পায় তিনি তা নিশ্চিত করেছেন। তিনি মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন।
করোনার মহামারী শুরুর প্রথম দিক থেকেই সাধারণ হতদরিদ্র মানুষের জন্য তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন যা এখনো অব্যাহত আছে।
করোনাকালীন সময়ে তিনি নিজের সংসদীয় এলাকা ত্যাগ না করে জনমানুষের পাশে থেকে সেবা প্রদান করে গেছেন সারাক্ষণ যার পরিপ্রেক্ষিতে ভালুকার মানুষের জন্য তিনি একটি বিশেষ উদাহরণ হয়ে ওঠেন।
এই করোনা মহামারীতে কাউকে সাহায্য করার আগে তিনি কখনো দু’বার ভেবে নয় বরং নিঃস্বার্থ ভাবে সাহায্য করে গেছেন প্রতিনিয়ত।
কাজিম উদ্দিন এমপি করোনা মহামারীর সময় চাকুরী হারানো এবং দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে ৪৪ লাখ টাকার ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ করেছেন। তিনি তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মানুষের মধ্যে ৫০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছেন।
তিনি এই স্বল্প সময়ের মধ্যে করোনা মহামারী চলাকালীন সময়েও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। যেমন সেতু, রাস্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, মল্লিকবাড়ি-ঘূর্ণিঘাট সেতুতে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে; ২১.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মল্লিক বাড়ি-বায়াবোহো সেতু; ভরাডোবা জুল্লুর বাজার সড়কের কুমারঘাটা সেতু ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে; রাজু ইউনিয়ন কানিহারী সেতু ব্যয় ৭ কোটি টাকা; সীডস্টোর-সখিপুর সড়কে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়; ভালুকা-গফরগাঁও রাস্তা নির্মাণ; জামিরদা-কাশোর পাড়াগাঁও সড়ক ব্যয় ৯.৫ কোটি টাকা; দামসুর-মামারিশপুর ২ কিমি রাস্তা ব্যয়; হাজিরবাজার-নয়নপুর ২ কিমি রাস্তা; তামাইর-নয়নপুর ২ কিমি রাস্তা; বাটাজুর-পালগা সিডষ্টোর ২ কিমি রাস্তা; বগারবাজার-শান্তিগঞ্জ ৫ কিমিরাস্তা; উথুরা-মরচি-পাঁচগাঁও ৪ কিমি রাস্তা; আঙ্গারগাড়া-ডালুয়া ২ কিমি রাস্তা; আঙ্গারগাড়া-হোসেনপুর ৪ কিমি রাস্তা।
এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন; বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য দরপত্র আহŸান সহ সোয়াল দাখিল মাদ্রাসায় একটি মডেল মসজিদ, উপজেলার অন্যান্য জায়গায় আরো মসজিদ-মন্দির সহ মোট ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বিভিন্ন নদীর খনন কাজের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















