০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

দেবীদ্বারে পানিতে ডুবে মামা- ভাগ্নের মৃত্যু

দেবীদ্বারে মামা- ভাগ্নের পুকুরে ডুবে একসাথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাগান বাড়ির পুকুরে। নিহতরা হলো- দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মহসিন মিয়ার ছেলে হৃদয় (৭) এবং অনন্তপুর গ্রামের অলী মিয়ার ছেলে আরিয়ান (৬)। তারা সম্পর্কে মামা- ভাগ্নে।

পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার দুপুরে ঘরে খাবার খেতে না আসায় হৃদয় ও আরিয়ানকে খুঁজতে থাকেন, পরে বিকেল সাড়ে ৩টায় কয়েকজন শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে আরিয়ানকে ভাসতে দেখে সূর চিৎকার শুরু করে। এসময় বাড়ির লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে বিকেল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত: ঘোষণা করেন। নিহতদের আত্মীয় বাদশা মিয়া জানান, নিহত হৃদয় আমার বড় ভাই দিনমজুর মহসীন মিয়ার ছেলে এবং হৃদয় আমার খালাতো ভাই, তার বাবা পেশায় অটোরিক্সা চালক, গ্রামের বাড়ি অনন্তপুর। আরিয়ান আমাদের বাড়িতেই থাকত। ওরা সম্পর্কে মামা- ভাগ্নে। এক সাথে থাকায় দু’জনকেই বড়শালঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়েছিলাম।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

দেবীদ্বারে পানিতে ডুবে মামা- ভাগ্নের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৬:১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

দেবীদ্বারে মামা- ভাগ্নের পুকুরে ডুবে একসাথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের বাদশা মিয়ার বাগান বাড়ির পুকুরে। নিহতরা হলো- দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মহসিন মিয়ার ছেলে হৃদয় (৭) এবং অনন্তপুর গ্রামের অলী মিয়ার ছেলে আরিয়ান (৬)। তারা সম্পর্কে মামা- ভাগ্নে।

পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার দুপুরে ঘরে খাবার খেতে না আসায় হৃদয় ও আরিয়ানকে খুঁজতে থাকেন, পরে বিকেল সাড়ে ৩টায় কয়েকজন শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে আরিয়ানকে ভাসতে দেখে সূর চিৎকার শুরু করে। এসময় বাড়ির লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে বিকেল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত: ঘোষণা করেন। নিহতদের আত্মীয় বাদশা মিয়া জানান, নিহত হৃদয় আমার বড় ভাই দিনমজুর মহসীন মিয়ার ছেলে এবং হৃদয় আমার খালাতো ভাই, তার বাবা পেশায় অটোরিক্সা চালক, গ্রামের বাড়ি অনন্তপুর। আরিয়ান আমাদের বাড়িতেই থাকত। ওরা সম্পর্কে মামা- ভাগ্নে। এক সাথে থাকায় দু’জনকেই বড়শালঘর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়েছিলাম।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর