ইউনেস্কো বিশ্ব হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃত সিঙ্গাপুর বোটানিক গার্ডেনের ন্যাশনাল অর্কিড গার্ডেনে ‘ডেনড্রোবিয়াম শেখ হাসিনা’ নামে একটি অর্কিড উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার এ অর্কিড উন্মোচন করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় ফুল অর্কিডের যে প্রজাতির নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ‘ডেনড্রোবিয়াম শেখ হাসিনা’ নামকরণ করা হয়েছে, বোটানিক বাগানের কর্মকর্তারা ‘সানপ্লাজা পার্ক’ ও ‘সেলেটার চকোলেট’ প্রজাতির শংকরায়নের মাধ্যমে সেটি উদ্ভাবন করেছেন।
সিঙ্গাপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের পরিচালক ড. নাইজেল টেইলর সি হর্ট সেখানে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা নামকরণ করা অর্কিডটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, তার স্ত্রী পেপী সিদ্দিক ও তাদের দুই সন্তান এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান বুজিব সিদ্দিক ববি, তার স্ত্রী পেপী সিদ্দিক, তাদের দুই সন্তান,পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন অর্কিডটির শংকরায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বাগানের ব্যবস্থাপক ডেভিড লিম বলেন, এই অর্কিডটির শংকরায়ন এবং পত্র-পল্লবে বিকষিত হতে সাড়ে চার বছর সময় লেগেছে। এই হাইব্রিড অর্কিড ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রতিটি গাছেরই ১৫টি ফুলের থোকা ধরে। প্রতিটি প্রস্থে ৫ সে.মি. হয়। প্যাচানো প্রতিটি ফুলের গোড়া মেহগনি রঙের এবং ফুলের মাঝখানে হালকা বাদামী ও ধবধবে সাদা প্রান্ত থাকে।
সিঙ্গাপুরের রীতি অনুসারে ১৯৫৭ সাল থেকে দেশটিতে সফরকারী বিভিন্ন দেশের প্রায় আড়াইশো রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নামে স্থানীয় অর্কিডের নামকরণ করা হয়েছে বলেও ডেভিড লিম জানান।
প্রধানমন্ত্রী পুরো অর্কিড বাগানের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করেন। বাগানটিতে ১ হাজার প্রজাতি ও ২ হাজার শংকরায়নকৃত উদ্ভিদ রয়েছে।





















