কাচা মরিচের লাগামহীন দাম বৃদ্ধির এই সময়ে স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে দীর্ঘ এক বছর পর ভারত থেকে১৭৮ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে এসেছে। বেনাপোল চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মামুন জানান, গত পাঁচ দিনে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে ১৭৮ মেট্রিক টন নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটি।৯ আগস্টজ১২ মেট্রিক টন আমদানির মাধ্যমে শুরু হয় মরিচ আমদানি। ১০ আগস্ট আসে ৪৫ মেট্রিক টন। ১১ ও ১২ আগস্ট আমদানি করা হয় ২৪ ও ৬০ মেট্রিক টন। শনিবার (১৪ আগস্ট) আসে ৩৭ মেট্রিক টন।
দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। ফলে গত ৯ আগস্ট থেকে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। উচ্চ পচনশীল হওয়ায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আমদানি করা পণ্যটি দ্রুত খালাসের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মেসার্স রুশাত এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স জুবায়ের এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স গাজী এমপেক্স ও মেসার্স উৎস এন্টারপ্রাইজ নামে এই চার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব কাঁচা মরিচ আমদানি করেছেন।
বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান জানান,দেশের বাজারে দাম বাড়ায় ও সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করেছে। এ বন্দর দিয়ে চারটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পণ্যটি আমদানি করছে। কাঁচা মরিচ আমদানির ফলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম কমবে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, বৃষ্টি এবং বৃষ্টির কারণে নীচু জমি পানিতে তলিয়ে যাবার কারণে দেশের বাজারে চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।দেশের বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে আমদানির উদ্যোগ নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্থতায় ইতিমধ্যে আমদানিকারকদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় আমদানি পারমিট (আইপি) ইস্যু করা হয়েছে। দেশের বেনাপোল, ভোমরা, সোনামসজিদ, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এসকল কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে বলেও সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান বেনাপোল স্থল বন্দরদিয়ে মরিচ আমদানি চলমান আছে। মরিচের চালান দ্রুত খালাসে সহযোগিতা করছেন তারা।




















