০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

ধর্মপাশায় অতিবৃষ্টিতে আমন ফসলের ক্ষতি

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আমন ধানের বীজতলা ও আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে গেছে। এরই মধ্যে তিন ইউনিয়নের ৯.৮৮ একর বীজতলা ও ১২.৩৫ একর জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে গেছে। যদি বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর এখন পর্যন্ত ১৪৩২.৬০ একর জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে অতিবৃষ্টির ফলে উপজেলার ধর্মপাশা সদর, পাইকুরাটি ও সেলবরষ ইউনিয়নে ৯.৮৮ একর বীজতলা ও ১২.৩৫ একর রোপনকৃত আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে যায়।

পানি যদি দ্রæত নেমে যায় তবে বীজতলা ও ধানের চারার তেমন ক্ষতি হবে না। আর যদি বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে আরো জমি প্লাবিত হয়ে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে।
ধর্মপাশা গ্রামের কৃষক শামীম আহমেদ জানান, তার ৬৪ শতক জমি তৈরি করে ধান রোপন করা পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই এখন জমি এখন পানির নিচে। পানি যদি দ্রæত না কমে তবে ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাবে এবং এই জমি আবার চাষের উপযুক্ত করে তৈরি করতে আরো ৭ হাজার টাকার মত লাগবে। এতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, পানি যদি দ্রæত কমে যায় তবে নিমজ্জিত বীজতলা ও ধানের চারার ক্ষতি কম হবে। এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ধর্মপাশায় অতিবৃষ্টিতে আমন ফসলের ক্ষতি

প্রকাশিত : ০৪:১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অগাস্ট ২০২১

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আমন ধানের বীজতলা ও আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে গেছে। এরই মধ্যে তিন ইউনিয়নের ৯.৮৮ একর বীজতলা ও ১২.৩৫ একর জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে গেছে। যদি বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর এখন পর্যন্ত ১৪৩২.৬০ একর জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে অতিবৃষ্টির ফলে উপজেলার ধর্মপাশা সদর, পাইকুরাটি ও সেলবরষ ইউনিয়নে ৯.৮৮ একর বীজতলা ও ১২.৩৫ একর রোপনকৃত আমন ধানের চারা পানিতে তলিয়ে যায়।

পানি যদি দ্রæত নেমে যায় তবে বীজতলা ও ধানের চারার তেমন ক্ষতি হবে না। আর যদি বৃষ্টি ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে আরো জমি প্লাবিত হয়ে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে।
ধর্মপাশা গ্রামের কৃষক শামীম আহমেদ জানান, তার ৬৪ শতক জমি তৈরি করে ধান রোপন করা পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই এখন জমি এখন পানির নিচে। পানি যদি দ্রæত না কমে তবে ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাবে এবং এই জমি আবার চাষের উপযুক্ত করে তৈরি করতে আরো ৭ হাজার টাকার মত লাগবে। এতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, পানি যদি দ্রæত কমে যায় তবে নিমজ্জিত বীজতলা ও ধানের চারার ক্ষতি কম হবে। এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ