০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

আবারও সচল হচ্ছে স্পিডবোট

নিবন্ধন না থাকায় মে মাস থেকে বন্ধ ছিল শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের স্পিডবোট চলাচল। অবশেষে নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে আবারও সচল হতে যাচ্ছে স্পিডবোট। এর অংশ হিসেবে নৌ-পরিবহন অধিদফতরের উদ্যোগে চালকদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা গ্রহণ শেষে উত্তীর্ণদের মাঝে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জে শিমুলিয়া নদী বন্দর মাঠে প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা গ্রহণ শেষে ১৩৪ জন চালকের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সনদ দেয়া হয়েছে। নৌ-পরিবহন অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার মো. মঞ্জুরুল কবিরের তত্ত্বাবধানে বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া ঘাটের স্পিডবোট চালকরা কর্মশালায় অংশ নিয়ে পরীক্ষা দেন। পরে উত্তীর্ণদের সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডোর আবু জাফর মো. জালাল উদ্দিন। তিনি জানান, বোট চালাতে হলে অভ্যন্তরীণ নৌ অধ্যাদেশ আইন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। একইসঙ্গে একজন দক্ষ চালক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সনদ দেয়ার কাজ শেষ হলো। আগামী সাত দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) থেকে রুট পারমিট দিলে বোট চলাচলে আইনগত বাধা থাকবে না। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক এবং অভ্যন্তরীণ নৌযান রেজিস্টার মো. মাহবুবুর রশিদ, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন কাজী মুহাম্মদ হাসান, মুখ্য পরিদর্শক মো. শফিকুর রহমান, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, মেদিনীমণ্ডল ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ মে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩১ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। বোটটি পুরোনো কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি আসার পর সেখানে নোঙর করে রাখা বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটে থাকা ২৬ জনের প্রাণহানি হয়। এ ঘটনার পর থেকে অনিবন্ধিত স্পিডবোট ও চালকদের লাইসেন্স ছাড়া শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় বিআইডব্লিউটিএ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

ক্ষমতার পালাবদলে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আবারও সচল হচ্ছে স্পিডবোট

প্রকাশিত : ০৮:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২১

নিবন্ধন না থাকায় মে মাস থেকে বন্ধ ছিল শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের স্পিডবোট চলাচল। অবশেষে নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে আবারও সচল হতে যাচ্ছে স্পিডবোট। এর অংশ হিসেবে নৌ-পরিবহন অধিদফতরের উদ্যোগে চালকদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা গ্রহণ শেষে উত্তীর্ণদের মাঝে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জে শিমুলিয়া নদী বন্দর মাঠে প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা গ্রহণ শেষে ১৩৪ জন চালকের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সনদ দেয়া হয়েছে। নৌ-পরিবহন অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার মো. মঞ্জুরুল কবিরের তত্ত্বাবধানে বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া ঘাটের স্পিডবোট চালকরা কর্মশালায় অংশ নিয়ে পরীক্ষা দেন। পরে উত্তীর্ণদের সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডোর আবু জাফর মো. জালাল উদ্দিন। তিনি জানান, বোট চালাতে হলে অভ্যন্তরীণ নৌ অধ্যাদেশ আইন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। একইসঙ্গে একজন দক্ষ চালক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সনদ দেয়ার কাজ শেষ হলো। আগামী সাত দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) থেকে রুট পারমিট দিলে বোট চলাচলে আইনগত বাধা থাকবে না। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক এবং অভ্যন্তরীণ নৌযান রেজিস্টার মো. মাহবুবুর রশিদ, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন কাজী মুহাম্মদ হাসান, মুখ্য পরিদর্শক মো. শফিকুর রহমান, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, মেদিনীমণ্ডল ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ মে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩১ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। বোটটি পুরোনো কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি আসার পর সেখানে নোঙর করে রাখা বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটে থাকা ২৬ জনের প্রাণহানি হয়। এ ঘটনার পর থেকে অনিবন্ধিত স্পিডবোট ও চালকদের লাইসেন্স ছাড়া শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় বিআইডব্লিউটিএ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর