০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনে আমনের ব্যাপক ক্ষ‌তি

কুড়িগ্রামে নদ-নদীতে পানি কমা বাড়ার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন ও রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। নদনদী গুলোতে পানি বৃদ্ধির ফলে গত কয়েক দিনেই জেলায় ৬ হাজার ৪৭ হেক্টর রোপা আমন ধানখেত ও সবজি পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়াও শতশত বিঘা জমির ফসল নদী ভাঙনে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও ভাঙন আতংকে রয়েছে আরো বেশ কিছু বসতবাড়িসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বুধবার ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপূত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার পানি ব্রীজ পয়েন্টে ১ দশমিক ১২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। নদ-নদীতে পানি কমা ও বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভের খাস ইউনিয়নে গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে শতশত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক বসতবাড়ী। এছাড়াও তিস্তা নদীতে রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা এবং উলিপুর উপজেলার থেতরাই ও বজরা এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, চলতি বন্যায় এখন পর্যন্ত জেলায় ৬ হাজার ৪৭ হেক্টর ফসল পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ৫ হাজার ৯৬৭ হেক্টর এবং সবজি ৮০ হেক্টর। এছাড়াও তিনি জানান, করোনায় পূণর্বাসন হিসেবে ১হাজার ৪শ’ কৃষককে বিআর-২৩ ও বিআর-৩৪ নাভিজাতের ৫ কেজি করে বীজ প্রদান করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, চলতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলার ৯ উপজেলায় আগাম ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনে আমনের ব্যাপক ক্ষ‌তি

প্রকাশিত : ০৮:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১

কুড়িগ্রামে নদ-নদীতে পানি কমা বাড়ার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন ও রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। নদনদী গুলোতে পানি বৃদ্ধির ফলে গত কয়েক দিনেই জেলায় ৬ হাজার ৪৭ হেক্টর রোপা আমন ধানখেত ও সবজি পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়াও শতশত বিঘা জমির ফসল নদী ভাঙনে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও ভাঙন আতংকে রয়েছে আরো বেশ কিছু বসতবাড়িসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বুধবার ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপূত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার পানি ব্রীজ পয়েন্টে ১ দশমিক ১২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। নদ-নদীতে পানি কমা ও বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভের খাস ইউনিয়নে গঙ্গাধর নদীর ভাঙনে শতশত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক বসতবাড়ী। এছাড়াও তিস্তা নদীতে রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা এবং উলিপুর উপজেলার থেতরাই ও বজরা এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, চলতি বন্যায় এখন পর্যন্ত জেলায় ৬ হাজার ৪৭ হেক্টর ফসল পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ৫ হাজার ৯৬৭ হেক্টর এবং সবজি ৮০ হেক্টর। এছাড়াও তিনি জানান, করোনায় পূণর্বাসন হিসেবে ১হাজার ৪শ’ কৃষককে বিআর-২৩ ও বিআর-৩৪ নাভিজাতের ৫ কেজি করে বীজ প্রদান করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, চলতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় জেলার ৯ উপজেলায় আগাম ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর