১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

আখাউড়ায় মাছ ধরছে অতিথি জেলেরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বর্ষার পানি বৃদ্ধির ফলে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অতিথি জেলেরা মাছ ধরতে এসেছেন উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী ও প্লাবনভূমিতে।

উপজেলার বনগজ, ভবানীপুর, বৈষ্ণব পুর এলাকার নদী-নালা ও জলাশয়ে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে মাছ ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছে এসব অতিথি জেলেরা।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর পানি বৃদ্ধি পেলে সিলেটের বিভিন্ন জেলার জেলেরা উপজেলার বিভিন্ন নদী-নালা ও প্লাবনভূমিতে মাছ ধরতে আসে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে অতিথিদের জেলেদের সংখ্যা বেশি।

হবিগঞ্জের লাখাই থেকে মাছ ধরতে আসা অনিল দাস জানান, প্রতিবছর বর্ষাকালে তারা আখাউড়ায় মাছ ধরতে আসেন। এবার ২৮ জন জেলে হবিগঞ্জ থেকে মাছ ধরতে এসেছে। প্রতিদিন তারা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারেন।

ভবানী পুরের বাসিন্দা কামরুজ্জামান জানান, গত ২০ বছর ধরে বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলা থেকে জেলেরা তাদের এলাকায় মাছ ধরতে আসেন। তাদের আসার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ কম টাকায় কিনতে পারছেন তারা।

উপজেলার মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, উপজেলার খাল-বিল নদীতে বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অতিথি জেলেরা বিভিন্ন নদ-নদী ও প্লাবনভূমিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরছে। স্থানীয় বাজারগুলোতেও বিক্রি হচ্ছে নতুন পানির মাছ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আখাউড়ায় মাছ ধরছে অতিথি জেলেরা

প্রকাশিত : ০৭:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বর্ষার পানি বৃদ্ধির ফলে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অতিথি জেলেরা মাছ ধরতে এসেছেন উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী ও প্লাবনভূমিতে।

উপজেলার বনগজ, ভবানীপুর, বৈষ্ণব পুর এলাকার নদী-নালা ও জলাশয়ে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে মাছ ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছে এসব অতিথি জেলেরা।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর পানি বৃদ্ধি পেলে সিলেটের বিভিন্ন জেলার জেলেরা উপজেলার বিভিন্ন নদী-নালা ও প্লাবনভূমিতে মাছ ধরতে আসে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে অতিথিদের জেলেদের সংখ্যা বেশি।

হবিগঞ্জের লাখাই থেকে মাছ ধরতে আসা অনিল দাস জানান, প্রতিবছর বর্ষাকালে তারা আখাউড়ায় মাছ ধরতে আসেন। এবার ২৮ জন জেলে হবিগঞ্জ থেকে মাছ ধরতে এসেছে। প্রতিদিন তারা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারেন।

ভবানী পুরের বাসিন্দা কামরুজ্জামান জানান, গত ২০ বছর ধরে বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলা থেকে জেলেরা তাদের এলাকায় মাছ ধরতে আসেন। তাদের আসার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ কম টাকায় কিনতে পারছেন তারা।

উপজেলার মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, উপজেলার খাল-বিল নদীতে বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অতিথি জেলেরা বিভিন্ন নদ-নদী ও প্লাবনভূমিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরছে। স্থানীয় বাজারগুলোতেও বিক্রি হচ্ছে নতুন পানির মাছ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর