০৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বাল্কহেডের ধাক্কায় ক্ষতবিক্ষত পিলার, হুমকির মুখে ২ সেতু

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার মাছিমপুর টু বাতাকান্দি ও হোমনা উপজেলার জয়পুরের সঙ্গে মাছিমপুর সংযোগ সেতু ২টির নিচ দিয়ে নিয়মিত দেড়শতাধিক বালুবাহী বাল্কহেড ও খালি বাল্কহেড চলাচল করে। এছাড়া শতাধিক নৌকা ও ট্রলার এ পথে চলাচল করে।
প্রতিদিন চলাচলের সময় বড় বড় এই বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতুর পিলারগুলোও হচ্ছে ক্ষতবিক্ষত। এতে ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পরছে সেতু। শুধু তাই নয় পিলার গুলোতে যখন ধাক্কা লাগে তখন পুরো সেতুটি যেমন কেঁপে উঠে তেমনি এ ধাক্কার শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সেতুতে চলাচলকারী সবাই। এই বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক) এ ভাইরাল হলে নজরে আসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকারের।
পরে তিনি আজ শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, তিতাস থানা পুলিশ, উপজেলা প্রকৌশলী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সাথে নিয়ে সেতু ২টি পরিদর্শন করেন। এসম উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, বলরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুর নবী, কলাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বাহার, মাছিমপুর বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল বাতেন সরকার রেনু, সাবেক মেম্বার মুনসুর আলী, মজিবুর রহমান ও মামুন মেম্বারসহ স্থানীয় লোকজন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার সাংবাদিকদের জনান, মাছিমপুর টু জয়পুর ও মাছিমপুর টু বাতাকান্দি সেতু ২টির পিলার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, এজন্যে সেতুর দিকে নজর রাখতে তিতাস থানা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। সে সাথে কোন বালুবাহী বাল্কহেড যদি সেতুর পিলারে ধাক্কা দেয় তাহলে ওই বাল্কহেডের চালককে সাথে সাথে গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার  বলেন, বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান আমাকে অবগত করলে আজ শুক্রবার সকালে সেতু ২টি পরিদর্শন করি। এবং সেতুটি সংরক্ষণের স্বার্থে সেতুর নিচ দিয়ে চলাচলের সময় সেতুর কাঠামোর সাথে সংঘর্ষ ঘটতে পারে এরূপ সকল বড় বড় বালুবাহী বাল্কহেড সেতুর নিচ দিয়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

বাল্কহেডের ধাক্কায় ক্ষতবিক্ষত পিলার, হুমকির মুখে ২ সেতু

প্রকাশিত : ০৭:৪৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার মাছিমপুর টু বাতাকান্দি ও হোমনা উপজেলার জয়পুরের সঙ্গে মাছিমপুর সংযোগ সেতু ২টির নিচ দিয়ে নিয়মিত দেড়শতাধিক বালুবাহী বাল্কহেড ও খালি বাল্কহেড চলাচল করে। এছাড়া শতাধিক নৌকা ও ট্রলার এ পথে চলাচল করে।
প্রতিদিন চলাচলের সময় বড় বড় এই বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতুর পিলারগুলোও হচ্ছে ক্ষতবিক্ষত। এতে ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পরছে সেতু। শুধু তাই নয় পিলার গুলোতে যখন ধাক্কা লাগে তখন পুরো সেতুটি যেমন কেঁপে উঠে তেমনি এ ধাক্কার শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সেতুতে চলাচলকারী সবাই। এই বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক) এ ভাইরাল হলে নজরে আসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকারের।
পরে তিনি আজ শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, তিতাস থানা পুলিশ, উপজেলা প্রকৌশলী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সাথে নিয়ে সেতু ২টি পরিদর্শন করেন। এসম উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, বলরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নুর নবী, কলাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বাহার, মাছিমপুর বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল বাতেন সরকার রেনু, সাবেক মেম্বার মুনসুর আলী, মজিবুর রহমান ও মামুন মেম্বারসহ স্থানীয় লোকজন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার সাংবাদিকদের জনান, মাছিমপুর টু জয়পুর ও মাছিমপুর টু বাতাকান্দি সেতু ২টির পিলার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, এজন্যে সেতুর দিকে নজর রাখতে তিতাস থানা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। সে সাথে কোন বালুবাহী বাল্কহেড যদি সেতুর পিলারে ধাক্কা দেয় তাহলে ওই বাল্কহেডের চালককে সাথে সাথে গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার  বলেন, বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান আমাকে অবগত করলে আজ শুক্রবার সকালে সেতু ২টি পরিদর্শন করি। এবং সেতুটি সংরক্ষণের স্বার্থে সেতুর নিচ দিয়ে চলাচলের সময় সেতুর কাঠামোর সাথে সংঘর্ষ ঘটতে পারে এরূপ সকল বড় বড় বালুবাহী বাল্কহেড সেতুর নিচ দিয়ে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর