০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

জামালপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টির কারণে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে । গত ২৪ ঘন্টায় জামালপুরে যমুনা নদীর পানি ১০ সে, মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১২ সে, মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এ দিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জামালপুর জেলার তিনটি ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার নিম্নানঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তিন উপজেলার প্রায় দশ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পরেছে। বেশ কিছু কাঁচা পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ফসলি জমি, পুকুর পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়াও লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলি গ্রামের কৃষক আ, রহমান জানান প্রতি বছর বন্যা বর্ষার শুরুতে এলেও এবার বর্ষার শেষে আসায় আমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, কারন এখন আমাদের সব জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। বন্যা স্থায়ী হলে সব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ভীষণ চিন্তায় পরে গেছি।

দেওয়ানগঞ্জের হেলেনা বেগম বলেন, প্রতি বছর বন্যায় আমাদের রাস্তা ঘাট ভেঙে যায়, তাই খুব কষ্ট করে চলতে হয়। সরকারের কাছে দাবি করছি নদীর বাধ দিয়ে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করে এবং রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামত করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

জামালপুরে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

প্রকাশিত : ০৮:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টির কারণে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে । গত ২৪ ঘন্টায় জামালপুরে যমুনা নদীর পানি ১০ সে, মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১২ সে, মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এ দিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জামালপুর জেলার তিনটি ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার নিম্নানঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তিন উপজেলার প্রায় দশ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পরেছে। বেশ কিছু কাঁচা পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ফসলি জমি, পুকুর পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়াও লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলি গ্রামের কৃষক আ, রহমান জানান প্রতি বছর বন্যা বর্ষার শুরুতে এলেও এবার বর্ষার শেষে আসায় আমরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, কারন এখন আমাদের সব জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। বন্যা স্থায়ী হলে সব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তাই ভীষণ চিন্তায় পরে গেছি।

দেওয়ানগঞ্জের হেলেনা বেগম বলেন, প্রতি বছর বন্যায় আমাদের রাস্তা ঘাট ভেঙে যায়, তাই খুব কষ্ট করে চলতে হয়। সরকারের কাছে দাবি করছি নদীর বাধ দিয়ে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করে এবং রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামত করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করে দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর