১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

দুর্বিষহ দিন কাঁটছে দুমকির পানচাষিদের

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কয়েকগুণ লোকসানে দুমকির পানচাষিরা কম দামে বিক্রি করে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা সুনিল দাস, গোবিন্দ দেবনাথ, আলামিন ও ফারুক জানান, ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা দরের বড় পানের দাম (স্থানীয় ভাষায় ‘চলি’) এখন ১০ থেকে ১৫ টাকা। ছোট ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরের পানের চলি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা। দুমকির খুশি সুপার মার্কেটের সামনে বসা পানের হাট ঘুরে খুচরা এবং পাইকারি বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে টানা ২ বছর কম দামে পান বিক্রি করতে হয়েছে। দফায় দফায় বন্যায় পান বরজের ব্যাপক ক্ষতিও হয়েছে। বর্তমান বাজারে পানের দাম কম থাকায় লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। দুমকি উপজেলার পানচাষি গৌতম দাস ও ধরান্দীর সানু হাওলাদার বলেন, মহামারি করোনায় দুমকিতে আরৎদারের কাছে পান নিয়ে গেলে দাম কম পাওয়ায় পরিবার নিয়ে ভরণ-পোষণ করতে কষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে প্রত্যেক পানচাষিরা সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে পানের বরজ করেছেন। যে পরিমাণ ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করা হয়েছে সে পরিমাণ লাভ করা সম্ভব হবে না। ভরা মৌসুমেও পানের দাম না পেয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা। করোনাকালীন পরিবহন সংকট ও বিদেশে পান রপ্তানি বন্ধ থাকায় পানের দাম কম পাচ্ছি এবং চরমভাবে লোকসান গুনতে হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহের মালিকার সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে চাষিরা পান চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। উপজেলার জলিশা, মুরাদিয়া, আংগারিয়া, আলগী ও পাংগাশিয়া এলাকায় পানের বরজ রয়েছে। অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সরকারিভাবে দুমকি উপজেলার বিপরীতে পান চাষিদের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। তারপরও আমাদের কর্মকর্তারা চাষিদের বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

দুর্বিষহ দিন কাঁটছে দুমকির পানচাষিদের

প্রকাশিত : ০৯:১০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কয়েকগুণ লোকসানে দুমকির পানচাষিরা কম দামে বিক্রি করে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা সুনিল দাস, গোবিন্দ দেবনাথ, আলামিন ও ফারুক জানান, ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা দরের বড় পানের দাম (স্থানীয় ভাষায় ‘চলি’) এখন ১০ থেকে ১৫ টাকা। ছোট ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরের পানের চলি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা। দুমকির খুশি সুপার মার্কেটের সামনে বসা পানের হাট ঘুরে খুচরা এবং পাইকারি বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে টানা ২ বছর কম দামে পান বিক্রি করতে হয়েছে। দফায় দফায় বন্যায় পান বরজের ব্যাপক ক্ষতিও হয়েছে। বর্তমান বাজারে পানের দাম কম থাকায় লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। দুমকি উপজেলার পানচাষি গৌতম দাস ও ধরান্দীর সানু হাওলাদার বলেন, মহামারি করোনায় দুমকিতে আরৎদারের কাছে পান নিয়ে গেলে দাম কম পাওয়ায় পরিবার নিয়ে ভরণ-পোষণ করতে কষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে প্রত্যেক পানচাষিরা সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে পানের বরজ করেছেন। যে পরিমাণ ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করা হয়েছে সে পরিমাণ লাভ করা সম্ভব হবে না। ভরা মৌসুমেও পানের দাম না পেয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা। করোনাকালীন পরিবহন সংকট ও বিদেশে পান রপ্তানি বন্ধ থাকায় পানের দাম কম পাচ্ছি এবং চরমভাবে লোকসান গুনতে হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহের মালিকার সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে চাষিরা পান চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। উপজেলার জলিশা, মুরাদিয়া, আংগারিয়া, আলগী ও পাংগাশিয়া এলাকায় পানের বরজ রয়েছে। অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সরকারিভাবে দুমকি উপজেলার বিপরীতে পান চাষিদের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। তারপরও আমাদের কর্মকর্তারা চাষিদের বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর