০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

সংখ্যালঘু মৎসজীবি সমিতিকে হুমকী, আতঙ্কে জেলে পরিবার

বিজনগরে সংখ্যালঘু মৎসজীবি সমিতিকে হুমকী, চাঁদা দাবী,সমিতির লিজকৃত বিলে কাজে যেতে বাধা প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া যায়। আতঙ্কে উৎকণ্ঠায় জেলে পরিবার গুলোর সকল সদস্য দিনযাপন করছে।

জানা যায়,বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের তুলাতলা গ্রামে জেলে পরিবারের সম্মিলিত “সপ্তডিংগা সমবায় সমিতি লিঃ” মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে উপজেলার “বাকজোর কুলিয়ার খাল (মেঘনা-নৈর্ঘন্দা)” জলমহালটি ২৮ জুন ২০২০ সালে এক আদেশে উক্ত সমিতির নামে ১৪২৭-১৪২৯ বাংলা সন পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য লিজ প্রদান করেন।

উক্ত লিজ গ্রহন করে ১৪২৭ বাংলা সনে নির্বিঘ্নে সবাই মিলে মাছ চাষ করলেও ১৪২৮ বাংলা সনে এসে উপজেলার আড়িয়াল গ্রামের মৃত মুতি মিয়ার ছেলে দানা মিয়া (৫০),সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬),মৃত লাল মিয়ার ছেলে কাজী জাকির হোসেন (৩৯), মৃত হাজী সুরুজ মিয়ার ছেলে শাহজাহান (৩৭) ও মৃত কাছু মিয়ার ছেলে ওহাব মিয়া (৩৫) তাদের অনুসারীদের নিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকী ও ভয়ভীতি দেখিয়ে যায় লিজকৃত বিলে মাছ চাষে বাধা প্রদান করেন।

হুমকী ও বাধা প্রদানের কারণে নিজেদের নিরাপত্তা ও লিজকৃত বিলে মাছ চাষের নিরাপত্তা চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর তারিখে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাস বাদী হয়ে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪১০/২০।

এই মামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জেলে পরিবার গুলো সকল সদস্যদের উপর প্রাণনাশের হুমকী, ভয়ভীতি মাত্র কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

উক্ত মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাস বলেন, কিছু দাঙ্গাবাজ লোকদের হুমকী, ভয়ভীতি কারণে আমরা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারছিনা। আমাদের লিজকৃত বিলে যেতেও তারা বাধা প্রদান করে। আমরা জেলে সম্প্রদায় এখন আতঙ্কে দিনযাপন করছি।

বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ মির্জা মোহাম্মদ হাছান বলেন, বিলের বিষয়টি নিয়ে ইউএনও ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিমাংসা চেষ্টা করছে।বর্তমানে এলাকা কোন সমস্যা নেই। আমরাও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে সুষ্ঠু সমাধানের প্রত্যাশা করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

সংখ্যালঘু মৎসজীবি সমিতিকে হুমকী, আতঙ্কে জেলে পরিবার

প্রকাশিত : ০৪:২৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিজনগরে সংখ্যালঘু মৎসজীবি সমিতিকে হুমকী, চাঁদা দাবী,সমিতির লিজকৃত বিলে কাজে যেতে বাধা প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া যায়। আতঙ্কে উৎকণ্ঠায় জেলে পরিবার গুলোর সকল সদস্য দিনযাপন করছে।

জানা যায়,বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের তুলাতলা গ্রামে জেলে পরিবারের সম্মিলিত “সপ্তডিংগা সমবায় সমিতি লিঃ” মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে উপজেলার “বাকজোর কুলিয়ার খাল (মেঘনা-নৈর্ঘন্দা)” জলমহালটি ২৮ জুন ২০২০ সালে এক আদেশে উক্ত সমিতির নামে ১৪২৭-১৪২৯ বাংলা সন পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য লিজ প্রদান করেন।

উক্ত লিজ গ্রহন করে ১৪২৭ বাংলা সনে নির্বিঘ্নে সবাই মিলে মাছ চাষ করলেও ১৪২৮ বাংলা সনে এসে উপজেলার আড়িয়াল গ্রামের মৃত মুতি মিয়ার ছেলে দানা মিয়া (৫০),সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬),মৃত লাল মিয়ার ছেলে কাজী জাকির হোসেন (৩৯), মৃত হাজী সুরুজ মিয়ার ছেলে শাহজাহান (৩৭) ও মৃত কাছু মিয়ার ছেলে ওহাব মিয়া (৩৫) তাদের অনুসারীদের নিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকী ও ভয়ভীতি দেখিয়ে যায় লিজকৃত বিলে মাছ চাষে বাধা প্রদান করেন।

হুমকী ও বাধা প্রদানের কারণে নিজেদের নিরাপত্তা ও লিজকৃত বিলে মাছ চাষের নিরাপত্তা চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর তারিখে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাস বাদী হয়ে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪১০/২০।

এই মামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জেলে পরিবার গুলো সকল সদস্যদের উপর প্রাণনাশের হুমকী, ভয়ভীতি মাত্র কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

উক্ত মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাস বলেন, কিছু দাঙ্গাবাজ লোকদের হুমকী, ভয়ভীতি কারণে আমরা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারছিনা। আমাদের লিজকৃত বিলে যেতেও তারা বাধা প্রদান করে। আমরা জেলে সম্প্রদায় এখন আতঙ্কে দিনযাপন করছি।

বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ মির্জা মোহাম্মদ হাছান বলেন, বিলের বিষয়টি নিয়ে ইউএনও ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিমাংসা চেষ্টা করছে।বর্তমানে এলাকা কোন সমস্যা নেই। আমরাও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে সুষ্ঠু সমাধানের প্রত্যাশা করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর